Showing posts with label MLM. Show all posts
Showing posts with label MLM. Show all posts

Saturday, 29 June 2013

এম.এল.এম. এর উপর কিছু কথা (পার্ট-১) যারা জানেন না তাদের জন্য

Kazi ashraful Islam 
নেটওয়ার্ক মার্কেটিং কিংবা মাল্টি লেভেল মার্কেটিং (এমএলএম) ব্যবসা পদ্ধতিতে আপনাকে স্বাগতম। বিশ্ব জুড়ে একথা প্রমাণিত যে, উৎপাদিত পণ্য বা সেবার যথাযথ বাজার বা মার্কেটের অনুপস্থিতিতে সকল আয়োজন ধূলিসাৎ হয়ে যায়, থেমে যায় উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের গতি। এক্ষেত্রে সকল উদ্যোক্তাই একমত যে, বিপণন কর্মকান্ড সফল না হয়ে কোন উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানই টিকে থাকতে পারে না। এসব বিবেচনা থেকেই বিশ্বব্যপী রথী-মহারথী, উদ্যোক্তা ও বিপণন বিশেষজ্ঞরা বিভিন্ন কর্মপদ্ধতি, নীতি ও প্রয়োগিক দিক নিয়ে বিস্তর গবেষণা করেছেন। উদ্ভুত প্রেক্ষাপটে একথা গৌরবের সাথে বলা যা যে, মাত্র কয়েক দশকে পণ্য বিপণন ক্ষেত্রে নেটওয়ার্ক মার্কেটিং বা মাল্টি লেভল মার্কেটিং পদ্ধতিটি বিশ্বজুড়ে অত্যন্ত সফল একটি মার্কেটিং কনসেপ্ট বা Mechanism হিসেবে যথেষ্ঠ আস্থা অর্জন করতে সমর্থ হয়েছে। পদ্ধতিগত বৈশিষ্ট্য, প্রয়োগশৈলী এবং গণমূখী চরিত্র বা প্রকিয়া ধীরে ধীরে এ পদ্ধতিটিকে এযাবৎকালে উদ্ভাবিত আধুনিক বিপণন পদ্ধতি গুলোর মধ্যে শ্রেষ্ঠতম মার্কেটিং পদ্ধতির রূপ পরিগ্রহে উৎসাহিত করেছে।  (প্রত্যেক ব্যক্তি ভিন্ন ভিন্ন ব্যবসা ক্ষেত্র তৈরী করার চেয়ে নেটওয়ার্ক ব্যবসা ক্ষেত্র অপেক্ষাকৃত অধিক নিরাপদ।)
সময়ের চাহিদা পূরণে সক্ষম এই বহুমাত্রিক পণ্য বিপণন ব্যবসায় (Direct Marketing or Network Marketing or Multi-Level Marketing) ডাইরেক্ট মার্কেটিং বা নেটওয়ার্ক মার্কেটিং বা মাল্টি-লেভেল মার্কেটিং পদ্ধতিটি বাংলাদেশে সর্বস্তরের মানুষের কাছে ক্রমাগত জনপ্রিয়তা পাচ্ছে। যে প্রেক্ষাপটে এ ব্যবসা দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে উঠছে, তার বিশদ ব্যাখ্যা এ স্বল্প পরিসরে দেয়া না গেলেও একথা নিঃসন্দেহে বালা যায় যে, নেটওয়ার্ক মার্কেটিং বা এম.এল.এম. পদ্ধতি প্রয়োগে বেকারপীড়িত এদেশের লক্ষ লক্ষ মানুষকে আত্ম-কর্মসংস্থানের পথ দেখিয়েছে, আলোর পথ পেতে সাহায্য করেছে। কর্মবিহীন শিক্ষিত যুবক-যুবতী এ পদ্ধতিতে আত্মকর্মনির্ভর হয়ে সার্বক্ষণিক বা আংশিক শ্রম দিয়ে, যৎসামান্য পুজি বিনিয়োগে বা বিনা পুজিতে (পণ্য বিপণনের মাধ্যমে) নিজেদেরকে স্বাবলম্বী হিসেবে সমাজে প্রতিষ্ঠিত করতে পারে। ছাত্র-ছাত্রী, স্বল্প আয়ের চাকুরিজীবী, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী, সমাজসেবী, রাজনীতিবিদ, এমনকি যে কোন পেশার মানুষকে এ প্দ্ধতি এনে দেয় আর্থিক স্বচ্ছলতা এবং স্বস্তিময় জীবনমান। এজন্য অতি উচ্চ শিক্ষা বা পূর্ব অভিজ্ঞতা অত্যাবশ্যকীয় নয়। আর এজন্য বিশ্বের বহু দেশে এই বিপণন পদ্ধতিটি "Freedom Enterprise" হিসেবে আখ্যায়িত।
এখন আমরা জনবো ডাইরেক্ট মার্কেটিং বা নেটওয়ার্ক মার্কেটিং বা মাল্টি-লেভেল মার্কেটিং বলতে যা বুঝায়-"ভোক্তাশ্রেণীর পারস্পরিক সম্পর্ককে তথ্য সরবরাহ ও বিজ্ঞাপনের কাজে বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করে পণ্য দ্রুত এবং সরাসরি ভোক্তার কাছে বিপণন করাটাই ডাইরেক্ট মার্কেটিং বা নেটওয়ার্ক মার্কেটিং এর বৈশিষ্ট্য।"
এ কথা বলার অপেক্ষা রাখে না যে, আমরা অনেকেই জীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে বহুকাল ধরে পরোক্ষভাবে নেটওয়ার্ক মার্কেটিং এর কর্মটি করে চলছি এবং তা অনেকটা মনের অজান্তে। এবংএকথাটিও সত্য যে, এ সম্পর্কে আমাদের অনেকেরই তথ্যনির্ভর ধারণাও যথেষ্ট কম।
এক্ষেত্রে উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করা যায় যে, আপনি যখন কোন একটি ভাল বই পড়ে বেশ আনন্দ পান, কিংবা কোন ভাল রেষ্টুরেন্টের খাবার খেয়ে উপভোগ করেন বা ভাল একটি সিনেমা বা নাটক দেখে খুব আনন্দ উপভোগ করেন, তখন আপনি এটি আপনার নিজস্ব পরিমণ্ডলের অন্যদের কাছে প্রায়শঃ প্রচার করে থাকেন। আর এ কাজটি আপনি নিছক কথার ছলেই বলে বেড়ান।
যদি কাজটি আপনি প্রতিনিয়ত করে থাকেন তাহলে আপনি অবশ্যই নেটোয়ার্কিং পদ্ধতির কাজটি করে বেড়াচ্ছেন বলে ধরে নেয়া যায় এবং এর ফলে আপনাকে বলা যায় একজন নেটওয়ার্কার। পার্থক্য শুধু এতটুকু যে আপনার টেওর্য়াক কাজের দ্বারা যে পণ্য বা সেবার ফ্রি বিজ্ঞাপন হয়ে যাচ্ছে, যাবে এর জন্য যে বিপণনকারী সংগঠন আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছে  (দোকানদার বা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানটি), তাদের কেউই আপনাকে কোন বিপণন কমিশন বা আর্থিক সুবিধা দিচ্ছেন না বা দেবেননা। ন্যূনতম সৌহার্দ্যবোধে আপনাকে ধন্যবাদ জ্ঞাপনও করেননি বা করবেন না, বিনামূল্যে এই বিজ্ঞাপন প্রচারের কাজটি করার জন্যে। তবে নেটওর্য়াক মার্কেটিং প্রতিষ্ঠান আপনার এ ধরণের প্রচারের কারণে যদি কোম্পানীর কোন পণ্য বা সেবা বিপণন হয়ে থাকে, সে জন্য আপনাকে আর্থিক সুবিধা হিসেবে বিপণন কমিশন দিতে আগ্রহী। গতানুগতিক পণ্য বিপণন পদ্ধতির সাথে কাঠামোগত নেটোয়ার্ক বিপণন পদ্ধতির মধ্যে পার্থক্য এটুকুই।
নেটওয়ার্ক মার্কেটিং পদ্ধতি হচ্ছে, ব্যক্তির সংগে ব্যক্তির (ইন্টার-পার্সোনাল) সম্পর্ককে ব্যবহার করে মৌখিক বিজ্ঞাপনজনিত প্রচারের মাধ্যমে পণ্য বিপণন করা এবং এ ধরনের বিপণনে উদ্বুধ্ধকরনের মাধ্যমে পণ্য উৎপাদনকারী বা উৎস থেকে ভোক্তার কাছে সরাসরি ক্রয়/বিক্রয় সম্পন্ন করা। বাড়তি খরচ পরিহার করে তার একটা বিশাল অংশ ক্রয়/বিক্রয়কারী ভোক্তাশ্রেণীকে একত্রে প্রচারকার্মে অংশগ্রহণ করার জন্য "কমিশন" হিসেবে প্রদান করাই হচ্ছে এ বিপণন পদ্ধতির মূল দর্শন। কারণ এই মৌখিক প্রচার পদ্ধতি ব্যবহারের কারণে পণ্য বিপণন প্রক্রিয়ায় গতানুগতিক মধ্যসত্ত্বভোগীর প্রয়োজন হয় না, ফলে বিপণনে বাড়তি খরচের বিষয়টির বিলুপ্তি ঘটে। এই পদ্ধতিতে পণ্য বা সেবা বিপণনে সাধারণতঃ কোন ব্যয়বহুল শো-রুম খরচ ও বিজ্ঞাপন খরচের প্রয়োজন হয় না। তাই উৎপাদনকারীগণ কিংবা সরবরাহকারীগণ সবাই অধিক পরিমাণ পণ্য খুব সহজে এবং কম খরচে ভোক্তাদের কাছে সরাসরি বাজারজাত করতে সক্ষম হন। এ কারণে এ বিপণন পদ্ধতিটি গতানুগতিক বিপণন প্রক্রিয়ায় ব্যবসা সম্প্রসারণের তুলনায় সংস্কার-সমৃদ্ধ একটি আধুনিক প্রক্রিয়া মাত্র।
পরবর্তী পার্টে ডাইরেক্ট মার্কেটিং বা নেটওয়ার্ক মার্কেটিং বা এম.এল.এম পদ্ধতির সূচনা নিয়ে আলোচনা করা হবে।

মাল্টিলেভেল মার্কেটিং

কেন মাল্টিলেভেল মার্কেটিং?  
  বেকার ও স্বল্প আয়ের লোকজনের আধুনিক লাইফ-ষ্টাইল প্রতিষ্ঠা করতে স্বল্প পুঁজি, স্বল্প ঝুঁকি স্বল্প শ্রম ও স্বল্প সময় বিনিয়োগ করে স্বাধীনভাবে সততার সাথে, সর্বোপরি হালাল পথে সন্মানজনক একটি বাড়তি আয়ের জন্য মাল্টিলেভেল মার্কেটিং বিশেষ ভূমিকা রাখতে পারে।  
   
   
   
   
 মাল্টিলেভেল মার্কেটিং-ই হচ্ছে একমাএ ব্যবসা, যেখানে আয় ব্যয়ের কোন সীমা-রেখা নেই, আছে অবাধ উপার্জনের পথ; কোন পরাধীনতা নেই, আছে স্বাধীন কর্মপ্রেরণা। কোন জবাবদিহিতা নেই, আছে আন্তরিক সহমর্মিতা, যেখানে কারো আদেশ মোতাবেক চলতে হয় না। এমনকি যেখানে কখনো কোনরুপ চাপের কাছে নিজের স্বাধীন স্বত্তাকে বিসর্জন দিতে হয় না।  
 
  মাল্টিলেভেল মার্কেটিং কি? কারা করবেন মাল্টিলেভেল মার্কেটিং?  
  উচ্চ শিক্ষিত, স্বল্প শিক্ষিত , বেকার, স্বল্প আয়ের চাকুরীজীবি বা পেশাজীবি, সমাজসেবী, রাজনীতিবিদ, নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সকল শ্রেনীর মানুষের বাড়তি আয়ের প্রয়োজন মেটাতে পারে মাল্টিলেভেল মার্কেটিং ব্যবসা পদ্ধতি।  
  ইসলামের দৃষ্টিতে 
মাল্টিলেভেল মার্কেটিং  
   
  কি ভাবে সদস্য হবেন?  
  নিবন্ধনের সুবিধা 
সমূহ কি?  
                 
  পণ্যের মূল্য তালিকা বিকল্প পেশা হিসাবে মাল্টিলেভেল মার্কেটিং  
        মূল পেশা ঠিক রেখে, অবসর সময়কে কাজে লাগিয়ে বাড়তি আয় অর্জনের একমাএ বিকল্প হচ্ছে মাল্টিলেভেল মার্কেটিং ব্যবসা পদ্ধতি; যেখানে উচ্চশিক্ষা বা পূর্ব অভিজ্ঞতা দরকার হয় না।  
         
         
       মাল্টিলেভেল মার্কেটিং এর সূচনা   
        বিশ্ববাণিজ্যে বিপণন প্রক্রিয়ায় সর্বশেষ সংযোজন মাল্টিলেভেল মার্কেটিং সিষ্টেম বা নেটওয়ার্ক মার্কেটিং সিষ্টেম। এটি ডাইরেক্ট মার্কেটিং সিষ্টেম, ফ্রীডম এন্টার প্রাইজ, হোম-বেজ বিজনেস ইত্যাদি নামেও পরিচিত। একজন আমেরিকান কেমিষ্ট ডঃ কার্ল রেইন বোর্গ (Dr. Carl Rehn Bourgh) ১৯৩৪ সালে প্রাকৃতিক সার ব্যবহার করে উৎপাদিত শাক-সব্জী থেকে ভিটামিন তৈরী করে তাঁর Nutrilite Product In Corporated কোম্পানীর মাধ্যমে সর্বপ্রথম এই পদ্ধতির সূচনা করেছিলেন। বিশ্বনন্দিত এই বিপণন পদ্ধতিটি ১৯৫৮ সালে আমেরিকার পার্লামেন্ট সিনেট এ অনূমোদন লাভ করে এবং আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পায়।  
         
         
         
         
         
         
         
         
  মাল্টিলেভেল মার্কেটিং এর উদ্দেশ্য  
  পণ্য বিপণন ব্যবস্থায় উৎপাদনকারী ও ভোক্তার মধ্যকার গুটিকতক এজেন্ট, মিডিয়া, বিজ্ঞাপণ সংস্থা, পাইকারী ও খুচরা বিক্রেতা, এক কথায় মধ্যস্বত্ত্বভোগকারী শ্রেণীকে প্রত্যাহার করে, ঐ স্থানে ভোক্তাদেরকেই উৎপাদনকারীর নিকট থেকে সরাসরি বাজার মূল্যে পণ্য ক্রয় ও পরিবেশনের সূযোগ দেয়া হয়, যেন সমাজের অসংখ্য বেকার ও স্বল্প আয়ের মানুষ পার্ট-টাইম বা ফুল টাইম কাজ করে বাড়তি আয় অর্জনের সুযোগ পায়।  
  ট্রেডিশ্নাল বা প্রচলিত পদ্ধতিঃ  
   
  নেটওয়ার্ক বা ডাইরেক্ট মার্কেটিং পদ্ধতিঃ  
   
                           
 


 
                           

ইসলামের দৃষ্টিতে মাল্টিলেভেল মার্কেটিং ব্যবসাঃ-

ব্যবসার সংজ্ঞাঃ দ্বি-পাক্ষিক সন্তষ্টির ভিত্তিতে পরস্পরের মধ্যে পণ্য বা দ্রব্য বিনিময় কার্যকর হলে সেই কার্যক্রমকে ব্যবসা বলে। তবে পণ্য বা দ্রব্য বিনিময়ের ক্ষেত্রে অর্থ বিনিময়ের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে।

ব্যবসা এর রোকনঃ-
১) বিক্রেতা প্রস্তাব দিবে
২) ক্রেতা গ্রহন করবে

ব্যবসা এর হুকুমঃ-
বিক্রিত দ্রব্যের উপর ক্রেতার এবং মূল্যের উপর বিক্রেতার অধিকার প্রতিষ্টিত হওয়া।

ব্যবসার শর্তঃ-
১। ক্রেতা বিক্রেতা উভয়ের সন্তষ্টি।
২। ক্রেতা-বিক্রেতা সুস্থ মস্তিস্ক ও প্রাপ্ত বয়স্ক হওয়া।
৩। পণ্যটি যেন বিক্রেতার মালিকানা বা দায়িত্বে থাকে।
৪। বিক্রেতা তা ক্রেতাকে প্রদান করতে সক্ষম।
৫। ক্রেতা যেন পণ্যটি সম্পর্কে জ্ঞান লাভ করে দেখার মাধ্যমে অথবা বিবরণ জানার মাধ্যমে এবং মূল্যও জ়েনে নেয়।
৬। পণ্যটি যেন বিক্রেতা কর্তৃক কোন অবৈধ শর্তের সাথে ঝুলন্ত না রাখা হয়।
৭। পণ্যটি যেন হারাম না হয়।

( রেফারেন্সঃ আব্দুর রহমান বিন আব্দুল করিম আল ওবায়েদ লিখিত গ্রন্থ উসুলুল মানহাজিস ইসলামী, পৃষ্ঠা-৩২৪, ৩২৮; ফেকহুস-সুন্নাহঃ ১০/২৩৬, কেতাবুল বয়ু অধ্যায )

উল্লিখিত সূত্রগুলোর আলোকে মাল্টিলেভেল মার্কেটিং ব্যবসার কোন বিরোধ নেই।এককথায়-যেখানে পুঁজি, পণ্য, পরিশ্রম, ক্রয়, বিক্রয়, লাভ, হ্মতি ইত্যাদি কার্য সম্পাদিত হয়, তাহা-ই ব্যবসা এবং যদি তা উল্লিখিত সূত্রগুলোর আলোকে হয় তবে তা হালাল ব্যবসা।

মাল্টিলেভেল মার্কেটিং সিষ্টেমে পণ্য ক্রয় বাবদ যে খরচ হয়, তা পুঁজি হিসাবে বিবেচিত।অন্যদিকে শ্রম ও সময় প্রদান করেও যদি আয় অর্জিত না হয় তবে তে হ্মতি হিসাবে বিবেচিত।