Saturday, 29 June 2013
জীবন গড়তে এম.এল.এম.
Friday, 28 June 2013
কেন প্রশিক্ষন গ্রহন করবেন?
যে কোন বিষয়ে কাজ শুরু করার পূর্বে সে বিষয়টি সম্পর্কে জেনে নেয়া প্রয়োজন। যদিও বাংলাদেশে ডাইরেক্ট সেলিং বা নেটওয়ার্ক মার্কেটিং ব্যবসা প্রায় বিগত ১ যুগেরও বেশি সময় যাবৎ পরিচালিত হয়ে আসছে তার পরেও এই ব্যবসাটি সম্পর্কে জানার সুযোগ তুলনামূলক ভাবে খুবই কম। যার ফলে এই বিষয়টি নিয়েব্যপক সম্ভাবনা থাকার পরেও বিষয়টি নিয়ে অনেক বিভ্রান্তি এবং ভূল ধারনা লক্ষ্য করা যায়। তাই বিষয়টি সম্পর্কে প্রকৃত সত্য তথ্য, ইতিহাস এবং ডাইরেক্ট সেলিং ব্যবসার ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা জানার জন্য প্রশিক্ষনের কোন বিকল্প নেই।
আর যারা নেটওয়ার্ক মার্কেটিং ব্যবসায় ক্যারিয়ার তৈরি করতে চান অথবা এই ব্যবসাটি কে পার্টটাইম হিসেব করতে চান তাদের জন্য নেটওয়ার্ক মার্কেটিং এর উপর প্রশিক্ষন গ্রহন করা বাধ্যতামূলক।
বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে ১৮-২০ বছর পড়াশোনা করার পর আমরা কোন একটি নির্দিষ্ট বিষেয়ের উপর কাজ করার মতো জ্ঞান বা প্রাথমিক যোগ্যতা অর্জন করে থাকি। দুঃখজনক ব্যপার হচ্ছে এত সময়, শ্রম এবং অধ্যাবস্যায় প্রয়োগ করার পরেও অধিকাংশ ব্যক্তিকে শিক্ষিত বেকার হিসেবে পরিগনিত হতে হয়। আর যারা অনেকটা ভাগ্যগুনে বা মামা চাচার সহযোগীতায় কাজ করার সুযোগ পায় তাদের মধ্যেও কাংখিত সফলতার হার অনেক কম পরিলক্ষিত হয়।
এমন পরিস্থিতির বিপরীতে যেহেতু আপনি নেটওয়ার্ক মার্কেটিং ব্যবসায় স্বাধীনভাবে ক্যারিয়ার তৈরি করার স্বপ্ন নিয়ে কাজ শুরু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তাই আমি আপনাকে সাধুবাদ জানাই এবং আপনার সিদ্ধান্ত খুবই সময়োপযোগী সঠিক সিদ্ধান্ত বলে স্বীকৃতি দিতে চাই। কিন্তু একটু লক্ষ্য কলে দেখুন আপনার ১৮-২০ বছর পড়ালেখা করে নিজেকে তৈরি করার মোট সময়ের মধ্যে কতটুকু সময় আপনি নেটওয়ার্ক মার্কেটিং ব্যবসার জন্য বিনিয়োগ করেছেন। আমি জানি উত্তর হবে ১ ঘন্টাও না! এখন প্রশ্ন হচ্ছে তাহলে আপনি সফলতা অর্জন করবেন কিভাবে?
নেটওয়ার্ক মার্কেটিং নিয়ে সুদীর্ঘ অর্ধ যুগেরও বেশি সময় কাজ করার অভিজ্ঞতার আলোকে বলতে পারি, এখানে অনেক উচ্চ শিক্ষিত ব্যক্তি আছে যে সফল হতে পারেনি আবার অনেক অশিক্ষিত বা কম শিক্ষিত ব্যক্তিকে দেখেছি সফলতা পেতে। এই দুই শ্রেনীর ব্যক্তির মধ্যে সফলতা বা ব্যর্থতার মূল কারন হচ্ছে প্রশিক্ষন নেয়ার আগ্রহ থাকা এবং না থাকা। মনে রাখবেন যখন আপনি নেটওয়ার্ক মার্কেটিং ব্যবসা শুরু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তখন এই ব্যবসা সম্পর্কে আপনার জ্ঞান বা অভিজ্ঞতা শুন্য যদিও আপনার ব্যাকগ্রাউন্ড হতে পারে আপনি উচ্চ শিক্ষিত বা অশিক্ষিত। এটা সত্য যারা শিক্ষিত তারা হয়তো অন্যদের তুলনায় নেটওয়ার্ক মার্কেটিং ব্যবসার খুটি নাটি দ্রুত জানতে, উপলব্ধি করতে এবং আয়ত্ব করতে সক্ষম হবেন।
অনেক শিক্ষিত ব্যক্তিকে এও বলতে শুনেছি যে, আমি বিবিএ এমবিএ করা আমাকে আপনারা কি প্রশিক্ষন দিবেন? আমি সব জানি? আপনার প্রতি আমার প্রশ্ন হচ্ছে আপনার শিক্ষাজীবনে কয়টা সা্ব্জেক্ট বা কত ক্রেডিট ছিল নেটওয়ার্ক মার্কেটিং এর উপর। জানি সরল উত্তর হবে একটিও না। তাহলে আমার পরামর্শ হচ্ছে দয়া করে প্রশিক্ষন গ্রহন করুন। আপনার জন্য সুসংবাদ হচ্ছে আপনি ব্যবসাটি দ্রুত আয়ত্ব করতে পারবেন। কিন্তু প্রশিক্ষন অবশ্যই নিতে হবে।
এই উদাহরনটি একটু লক্ষ্য করুনঃ
ধরুন আপনি জানেন কিভাবে আলূ চাষ করতে হয়। এই বিষয় এর উপর আপনি হয়তোবা উচ্চ প্রশিক্ষন নিয়েছেন কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। এখন আপনাকে যদি দেয়া হয় একটি মাটির কলসি তৈরি করে দিতে। এমতাবস্থায় আপনার সারা জীবনের শিক্ষা, অভিজ্ঞতার আলোকে যতই চেষ্টা করেন আপনি কি কুমারের মত সুন্দর করে একটি কলসি তৈরি করতে পারবেন? নিশ্চই না! কিন্তু যদি আপনি একজন অশিক্ষিত (প্রচলিত শিক্ষা ব্যবস্থায়) কুমারের কাছ থেকে বিষয়টি একটু দেখেন এবং অনুশিলন করেন দেখবেন আপনি হয়তো ঐ কুমারের চেয়েও সুন্দর করে তৈরি করতে পারবেন।
তাইি আশা করি বুঝতে পেরেছেন যে, যেকোন বিষয়ে ভাল করতে চাইলে অবশ্যই ঐ বিষয়ে প্রশিক্ষন নিতে হবে। তাই নয় কি?
আমার অভিজ্ঞতায় অনেক ব্যক্তিকে বলতে শুনেছি আমি সব প্রশিক্ষন গ্রহন করে ফেলেছি! এখন কি করব?
আপনার জন্য পরামর্শ হচ্ছে প্রশিক্ষনগুলো আবার গ্রহন করুন। তার পর কি করবেন? আবার প্রশিক্ষন নিবেন। তার পর? আবার প্রশিক্ষন নিবেন।
এভাবে একই প্রশিক্ষন কতবার এবং কত দিন গ্রহন করতে হবে?
উত্তর দিতে চাইনা শুধু আপনাকে একটি প্রশ্ন করতে চাই, প্রতিদিনই তো তিন বেলা নিয়ম করে খাবার গ্রহন করছেন। একই খাবার আর কত দিন গ্রহন করতে থাকবেন? নিশ্চই যতদিন বেচে থাকবেন! তাই না? ঠিক তেমনি, যতদিন নেটওয়ার্ক মার্কেটিং ব্যবসা করবেন এবং ব্যবসায়ীক উন্নতি চাইবেন ঠিক ততদিন প্রশিক্ষন গ্রহন করতে হবে।
একই প্রশিক্ষন বার বার করতে ভাল লাগে না! বিরক্ত লাগে! করনীয় কি?
দেখুন আমরা যারা মানুষ তাদের অনেক সীমাবদ্ধতা আছে। অভাব আছে। যার ফলেই আমাদের কাজ করতে হয়। জীবিকার তাগিদে বেচে থাকার জন্য এমন অনেক কিছুই আমাদের প্রতিনিয়ত করতে হয় যা করতে আমাদের ভাল লাগেনা বা আমরা বিরক্ত হই। যেমন ধরুন প্রতিদিন সকাল বেলা নিয়ম করে একই টয়লেটে হাজিরা দিতে বা একই বাথরুমে গোসল করতে আমাদের ভাল লাগে না কিন্তু করতে হয়। প্রতি দিন বাজারের ব্যাগ নিয়ে বাজারে যেতে ভাল লাগে না কিন্তু যেতে হয়। স্কুল কলেজ বা চাকুরীতে নিয়ম করে যেতে হয় কিন্তু ভাল লাগে না। এমনও হতে পারে আমার এই লেখাটি পড়তে আপনার বিরক্ত লাগছে কিন্তু সফলতা পাবার জন্য করনীয় কি জানার জন্য বিরক্তি নিয়ে হলেও পড়ছেন! ঠিক তেমনি নেটওয়ার্ক মার্কেটিং ব্যবসায় সফলতা পেতে এবং সফলতার উচ্চ শিখরে নিজেকে দেখতে চাইলে নিয়মিত প্রশিক্ষন নিতে হবে।
যদি আমাকে জিজ্ঞেস করেন নেটওয়ার্ক মার্কেটিং ব্যবসায় সফলতার জন্য একটি কাজের পরামর্শ দিন। তাহলে বলব অবশ্যই নিয়মিত প্রশিক্ষন গ্রহন করুন। আপনার সফলতা নিশ্চিত, ইনশা-আল্লাহ্।
Enloving প্রোডাক্ট বিক্রি কি খুবই কঠিন?
২। বায়ো টেকনোলজির বায়ো এনার্জেটিক আরও নানা ধরণের পণ্য ইলিংকস খুব শিগগির বাজারে নিয়ে আসবে। ইতিমধ্যেই হেড অফিসগুলো সেসব পণ্যগুলোর ডিসপ্লে শুরু হয়ে গেছে। ফলে প্রত্যেকটি মানুষের কাছেই এসব পণ্যের যে কোন একটি আপনি বিক্রি করতে পারবেন।
৩। বায়ো এনার্জেটিক পণ্য ব্যবহারের কারণে পৃথিবীর যে কোন অঞ্চলের চেয়ে চীন, জাপান, কোরিয়া ও সংশ্লিষ্ট অঞ্চলগুলোর মানুষের মাঝে রোগ ব্যধীর পরিমান কম। বায়ো এনার্জেটিক পণ্যের ব্যবহার সারা বিশ্বেই খুব দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। অর্থাৎ চাহিদা যত বাড়বে, আপনার ব্যবসাও তত বৃদ্ধি পাবে।
৪। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা কর্তৃক অনুমোদিত এই বায়ো এনার্জেটিক ব্রেসলেট ১০০ ভাগ পাশর্্ব প্রতিক্রিয়াহীন। তাই যে কোন মানুষই নির্ভয়ে এটি ব্যবহার করতে পারে।
৫। প্রডাক্টটি ব্যবহার করা অত্যন্ত সহজ এবং এটি সার্বক্ষণিক শরীরে কাজ করে।
৬। প্রোডাক্টটির গুণাগুন বহু বছর যাবত অক্ষুন্ন থাকে।
৭। অলংকার হিসেবেও এটি এখন অনেকের কাছে সমাদৃত হচ্ছে।
৮। দামের দিক থেকেও বাংলাদেশে এই পণ্যটির দাম বিশ্বের যে কোন দেশের চেয়ে কম। আমাদের প্রতিবেশি দেশ ভারতের যে কোন জুয়েলারি দোকানে এটি কিনতে গেলে ৬ হাজার রুপির এক রুপিও কম নেবে না। অর্থাৎ বাংলাদেশি টাকায় প্রায় সাড়ে ৯ হাজার টাকা। সেখানে বাংলাদেশে এটি বিক্রি হচ্ছে মাত্র ৫ হাজার টাকায়। সাথে থাকছে অসাধারণ এক ব্যবসার সুযোগ।
এখন আপনিই বলুন, এই ব্রেসলেটটি বিক্রি করা কি খুবই কঠিন হবে?
নেটওয়ার্ক মার্কেটিং, বাংলাদেশ ও বর্তমান বিশ্ব - Enloving
লক্ষ্য করুন, প্রত্যেকটি মানুষই জন্মগতভাবেই এক একজন নেটওয়ার্কার। কীভাবে? আপনি বাজারের কোন একটি দোকান থেকে শার্ট কিনলেন। দোকানের মালিকের আন্তরিকতা, সততা এবং দামের বিষয় বিবেচনা করে দোকানটি আপনার খুবই পচ্ছন্দ হলো। আপনি আপনার এক বন্ধুকে বললেন, শার্ট কিনতে হলে ওই দোকানেই যাবি। তাহলে ঠকবি না। এখানে আপনি কিন্তু ওই দোকানের হয়ে একজন নেটওয়ার্কারের কাজ করলেন। তবে এর বিনিময়ে আপনি কিছুই পেলেন না। প্রত্যেকটি শহরের কিছু ভালো খাবারের দোকান থাকে। আপনি সেই হোটেলে খাওয়ার পর যদি ভালো লাগে, আপনি অপর এক বন্ধুকে বলেন। সেও সেখানে খেতে যায়। সে আবার অপর এক পরিচিতকে বলে। সেও ওই হোটেলে খেতে যায়। অর্থাৎ প্রত্যেকটি মানুষই জন্মগতভাবেই নেটওয়ার্কিং-এর কাজ করে। আর এটাই হলো নেটওয়ার্কিং বিজনেস।
উপরে যেসব নেটওয়ার্কিং-এর কথা বলা হলো, সেগুলো মানুষ অবচেতন মনেই করে। তার নেটওয়ার্কিং-এর কারণে কোন কোন ব্যবসায়ীরা প্রচুর লাভ করছে, কিন্তু সেই লাভের বিন্দুমাত্রও আপনি পাচ্ছেন। নেটওয়ার্কিং বিজনেসটাও হলো, ওই একইভাবে আপনি নেটওয়ার্কিং করবেন, এবং লাভবানও হবেন।নেটওয়ার্ক মার্কেটিং বা ডাইরেক্ট মার্কেটিং পদ্ধতি ১৯৪০-৪১ সালে আমেরিকান একজন ফুড-কেমিস্ট রেইন বোর্গ প্রথম চালু করেছিলেন। তিনি প্রাকৃতিক সার ব্যবহার করে উৎপাদিত শাক সবজি থেকে একটি খাদ্য প্রাণ বা ভিটামিন এর ফর্মুলা তৈরি করে সেই ভিটামিন বিপণন প্রক্রিয়ায় গতানুগতিক বিপনন পদ্ধতিকে অনুসরণ না করে একটু ভিন্ন ধারায় সরাসরি পণ্যটি ভোক্তার নিকট বিপণনে আগ্রহী হন। তার উদ্ভাবিত বিপনন পদ্ধতিতে প্রচলিত বিজ্ঞাপন পদ্ধতিকে বর্জন করে ভোক্তার মৌখিক প্রচার পদ্ধতিকে কাজে লাগিয়ে অর্থাৎ বেকার এবং স্বল্প আয়ের চাকুরীজীবীদের বা যে কোন পার্ট টাইম আয়ে উৎসাহীদের মুখে মুখে প্রচার পদ্ধতিতে কাজে লাগানোর সুযোগ সৃষ্টি হয়। পণ্যের উপর অধিক বিজ্ঞাপনজনিত খরচ, শোরুম ও অন্যান্য মূল্য সংযোজন না করে এবং একাধিক মধ্যস্বত্বভোগীরে বাড়তি খরচ বাঁচিয়ে তা নেটওয়ার্ক কর্মীদের মাঝে তাদের স্ব স্ব যোগ্যতা অনুযায়ী বন্টন করাই ছিল ড. কার্ল রেইন বোর্গের আধুনিক বিপণন পদ্ধতির মূল উদ্দেম্য। দীর্ঘ ১৮ বছর পর ১৯৫৮ সালে আমেরিকার পার্লামেন্টে ভোটাভুটির মাধ্যমে নেটওয়ার্ক মার্কেটিং বৈধ মার্কেটিং পদ্ধতি হিসেবে অনুমোদন লাভ করে।
বিশ্বজুড়ে একথা উজ্জলতম সত্য হিসেবে প্রতিষ্ঠিত যে, যদি কোন উৎপাদিক পণ্য বা সেবার যথাযথ বাজার বা মার্কেট না থকে, তাহলে সকল আয়োজন ধুলিসাত হবে, থেমে যাবে উৎপানকারী প্রতিষ্ঠানের চলমান গতি। সকল উদ্যোক্তাই এ ব্যাপারে একমত যে, মার্কেটিং বিভাগ সফল না হলে কোন প্রতিষ্ঠানই টিকে থাকতে পারে না। এসব বিবেচনা থেকেই বিশ্বব্যাপী রথী-মহারথী, উদ্যোক্তা ও মার্কেটিং বিশষজ্ঞরা এক্ষেত্রে বিভিন্ন কর্মপদ্ধতি, নীতি ও প্রয়োগিক দিক নিয়ে বিস্তর গবেষনা করেছেন। সে প্রেক্ষাপটে একথা গৌরবের সাথে বলা যায় যে, মাত্র কয়েক দশকে পণ্য বিপণন ক্ষেত্রে মাল্টি লেভেল মার্কেটিং পদ্ধতিটি সমগ্র বিশ্ব জুড়ে অত্যন্ত সফল একটি মার্কেটিং কনসেপ্ট হিসেবে সকলের আস্থা অর্জন করেছে। পদ্ধতিগত বৈশিষ্ট্য, প্রয়োগশৈলীর নিপুণতা এবং গণমুখী প্রক্রিয়া ধীরে ধীরে এটিকে সর্বশ্রেষ্ঠ মার্কেটিং পদ্ধতির রূপ পরিগ্রহে সহযোগীতা করছে।
বাংলাদেশের ক্ষেত্রে দেখা গেছে, এখানকার অধিকাংশ মানুষের নেটওয়ার্কিং ব্যবসা সম্পর্কে সঠিক ধারণার অভাব রয়েছে। তাছাড় প্রথম দিকে এখানে নেটওয়ার্ক মার্কেটিংয়ের চর্চাটাও সঠিকভাবে হয়নি। চুন খেয়ে গাল পুড়ে যাওয়ার কারণে এখন দই দেখলেও ভয় পাচ্ছে অধিকাংশ মানুষ।
তবে আশার কথা, বর্তমানে বাংলাদেশের মানুষ নেটওয়ার্ক মার্কেটিংয়ের সৌন্দর্য ও পজেটিভ দিকগুলো খুব দ্রুতই বুঝে উঠতে সক্ষম হচ্ছে।

