Tuesday, 30 July 2013

জানার কোনো বয়স নেই

আমাদের দেশে এখন ভিক্ষুক আর ব্লগার এর সংখ্যা প্রায় সমান .......
keyboard দিয়ে দুই চারটা ওয়ার্ড লিখতে পারলেই ব্লগার হওয়া যায়না . 
ইদানীং আমি দেখছি ... কিছু লোক কিছু কিছু বিষয়ে না জেনেই উল্টা পাল্টা পোস্ট করে যাচ্ছে .... তারমধ্যে network marketing এর অন্যতম ...
আরে ভাই নেটওয়ার্ক মার্কেটিং একটা বিশ্বজুরে স্বীকৃত একটি পদ্ধতি , এবং এই সাবজেক্ট এর ওপর অনার্স মাস্টার্স কোর্স আছে ... আপনাদের মনে সন্দেহ থাকলে খুজ খবর নিয়ে দেখতে পারেন ..
আমার কথা হলো যে বিষয়ে ওপর অনার্স মাস্টার্সে পড়াশুনা আছে সেই বিষয়ে আপনারা কেন আজে বাজে পোস্ট লিখেন ??
আপনার যদি ভালো না লাগে এই সিস্টেম আপনি কাজ করার দরকার নাই ....
ডাক্তার সবাই হয় না... 
না হয় সবাই ইঞ্জিনিয়ার ....
যার যার বেক্তিগত বেপার ....
why you talk about another person ??

আমি একটা example দেই  ...
আমরা উকিল পেশাজীবীদের ভালো করে সবাই চিনি তাই না ....
আচ্ছা একজন raper কিংবা killer যদি কোনো উকিল এর নিকট যায় তার বা আসামির পক্ষে উকালতি করার জন্য ...  উকিল কি তার মক্কেলকে  ফিরিয়ে দেয় ?
কখনোই না ... ওই উকিল সে যতো রকমের চেষ্টা আছে সব করে সে তার মক্কেলকে নির্দোষ প্রমান করে আসামিকে বের করে আনে .... প্রকাস্য দিবালোকে .... কই আমিতো আজ পর্যন্ত কোনো উকিল এর বিরদ্ধে কথা বলতে দেখি নাই কাওকে ? 
আরে ভাই network marketing করে বেকার কিছু পোলাপাইন আপনারা কেনো তাদের পেটে লাথি দেন ?
তারাতো মানুষের কাছে মাত্র ৫-৭ হাজার টাকার পণ্য বিক্রয় করছে .... তারাতো একটা পদ্মা সেতুর টাকা হাতিয়ে নেয় না ...
না করে আদম পাচার ....
১০-১৫ লক্ষ টাকা দিয়ে ইতালি আমেরিকা নিয়ে যাবার কথা বলে না ......
সবাইকে আমার অনুরুধ  কোনো বিষয়ের উপর না জেনে মন্ত্বব্য করবেন না ....
কারণ জানার কোনো বয়স নেই  .
ধন্যবাদ  
Kazi ashraful Islam 
International networker

Monday, 29 July 2013

এখনই Enloving প্রোডাক্ট সেল/ব্যবসা করা সম্ভব!



Enloving এর অনেক ডিস্ট্রিবিউটর আছেন যারা মনে করেন বর্তমান সময়ে Enloving ব্যবসা করা সম্ভব নয়! বা Enloving  প্রোডাক্ট নিয়ে মানুষকে বললে কাজ হবে না, কারন মিডিয়ায় নেতিবাচক প্রচার-প্রচারনার কারনে বাংলাদেশের সাধারন মানুষ Network marketing সম্পর্কে নেগেটিভ হয়ে আছে। আমি এর সাথে দ্বীমত পোষণ করি। হে এটা সত্য আবেগ দিয়ে বললে হয়তো আপনি আমার কথা বিশ্বাস করবেন না। তাই চলুন দেখি লজিক্যালি সম্ভব কি না।

আগে চলূন আমরা একে একে চারটি উদাহরন দেখি এবং বুঝার চেষ্টা করি,

প্রথমতঃ ধরুন আপনাকে একটি কচুর লতি এবং একটি ব্লেড দেয়া হলো এবং বলা হলো কচুর লতিটি কেটে দুই টুকরা করে দিতে। তাহলে আপনি কি এটা কেটে দুই টুকরা করতে পারবেন? নিশ্চই পারবেন। কারন কচুর লতি কাটার জন্য ব্লেডই যথেষ্ঠ।
সিদ্ধান্ত/ফলাফলঃ কচুর লতি কাটার জন্য একটি ব্লেডই যথেষ্ঠ।

দ্বীতিয়তঃ এবার আসুন আপনাকে একটি বাশের কঞ্চি এবং একটি ব্লেড দেয়া হল। এবার কি আপনি সহজে কেটে দুই টুকরা করে দিতে পারবেন। নিশ্চই না! তবে বাশের কঞ্চি কাটার কোন উপায় কি আপনার জানা আছে? নিশ্চই আছে। আপনি হয়তো বলবেন আমাকে একটা দা/চাপাতি দেন এক কোপে কেটে দুই টুকরা করে দেব। তাই নয় কি?
সিদ্ধান্ত/ফলাফলঃ বাশের কঞ্চি ব্লেড দিয়ে কাটা কস্টসাধ্য কিন্তু দা/চাপিাতি দিয়ে সহজেই কাটা যায়।

তৃতীয়তঃ এবার আসুন আপনাকে একটি লোহার টুকরা বা রড এবং নরমাল ব্লেড/দা দেয়া হলো। আপনি কি এটা দুই টুকরা করতে পারবেন? নিশ্চই না। তবে যদি একটি হেসকো ব্লেড (লোহা কাটার যন্ত্র) দেয়া হয় তাহলে কি পারবেন? নিশ্চই পারবেন। তাই নয় কি?
সিদ্ধান্ত/ফলাফলঃ লোহার টুকরা/রড ব্লেড/দা/চাপাতি দিয়ে কাটা কস্টসাধ্য কিন্তু হেসকো ব্লেড দিয়ে সহজেই কাটা যায়।

চতুর্থতঃ আবার আসুন আপনাকে একটি শক্ত কাচ এবং হেসকো ব্লেড/দা/চাপাতি দেয়া হলো। এবার কাচ কেটে দুই টুকরা করে দিতে পারবেন কি? নিশ্চই না! তবে আপনাকে একটি ধারালো হীরক খন্ড দিয়ে বলা হলে আপনি অবশ্য কাচটি কেটে সহজেই দুই টুকরা করে দিতে পারবেন। তাই নয় কি?
সিদ্ধান্ত/ফলাফলঃ শক্ত কাচ ব্লেড/দা/চাপাতি/হেসকো ব্লেড দিয়ে কাটা কস্টসাধ্য কিন্তু ধারালো হীরক খন্ড দিয়ে সহজেই কাটা যায়।

উপরোক্ত চারটি উদাহরন এবং তা থেকে প্রাপ্ত সিদ্ধান্ত বা ফলাফলসমূহ বিবেচনা করলে আমরা দেখতে পাই যে, কোন বস্তু নরম বা শক্ত যেমনই হোক না কেন কাটা যায়। তবে তা করার জন্য যথোপযুক্ত কাটার লাগে। তাই নয় কি?

এখন আসুন আমরা মূল আলোচনায় আসি, নেটওয়ার্ক মার্কেটিং ব্যবসা একজন মার্কেটিং এক্সিকিউটিভ এর ব্যবসা করার তীব্র ইচ্ছা এবং সেলিং দক্ষতার উপর নির্ভর করে।

তার অর্থ এই নয় যে, আমি বলতে চাচ্ছি আপনি ব্যবসা বুঝেন না বা আপনার সেলিং দক্ষতা নাই। আমি বলতে চাচ্ছি আপনি অবশ্যই দক্ষ তবে হয়তোবা আপনার দক্ষতা উদাহরন ১ এর ব্লেড এর মত। এই দক্ষতা দিয়ে আপনি আগে ১০ জন অতিথির সাথে বসলে হয়তোবা ৫ জন প্রোডাক্ট ক্রয় করতো। কারন তখনকার পারিপার্শ্বিক অবস্থার বিপরীতে আপনার অতিথিরা কচুর লতির মত নরম ছিল। কিন্তু বর্তমান প্রেক্ষাপটে আপনার ঐ সকল অতিথিরা হয়তো লোহার মত বা কাচের মত শক্ত হয়ে আছে। তাই আপনার আগের দক্ষতা দিয়ে বিক্রি করার চেস্টা করছেন বিধায় বিক্রি হচ্ছে না।

এমতাবস্থায় আমার মূল বক্তব্য হচ্ছে আপনি আপনার দক্ষতাকে সময়োপযোগী করে গড়ে তুলূন। সফলতা অবশ্যই আসবে, ইনশা-আল্লাহ্।

কিভাবে দক্ষতা সময়োপযোগী করে গড়ে তুলবেন?

দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য আমার কাছে তিন টি উপায় জানা আছেঃ

১। প্রশিক্ষন গ্রহন করুন
২। প্রশিক্ষন গ্রহন করুন
৩। প্রশিক্ষন গ্রহন করুন

আমার এই সাইটটি আপনাকে সহযোগীতা করবে। কিন্তু পাশাপাশি বিভিন্ন গ্রুপের মাধ্যমে আয়োজিত প্রশিক্ষন গুলোতে অংশগ্রহন করুন। এছাড়াও সফল/অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের সাথে বসে পরামর্শ গ্রহন করুন। কিভাবে প্রশিক্ষন গ্রহন করলে দ্রুত দক্ষতা বৃদ্ধি করা যায় এর উপর লেখা অল্প সময়ে প্রশিক্ষন আত্মস্থ করা এবং মনে রাখার কৌশল সমূহ শীর্ষক প্রশিক্ষন টিপস্ টির সহায়তা নিতে পারেন।

আশা করছি খুবই অল্প সময়ের মধ্যে সঠিক প্রশিক্ষন গ্রহন করে নিজের সেলিং দক্ষতা এমন উচ্চতায় নিয়ে যাবেন যে, আপনাকে যে প্রোডাক্টই দেয়া হোক না কেন আপনি সেল করতে পারবেন এবং নিয়মিত আয় নিশ্চিত করতে পারবেন।

ধন্যবাদ

Kazi ashraful Islam 
Founder distributor :
Enloving international ltd

Sunday, 28 July 2013

কেন প্রশিক্ষন গ্রহন করবেন?


যে কোন বিষয়ে কাজ শুরু করার পূর্বে সে বিষয়টি সম্পর্কে জেনে নেয়া প্রয়োজন। যদিও বাংলাদেশে ডাইরেক্ট সেলিং বা নেটওয়ার্ক মার্কেটিং ব্যবসা প্রায় বিগত ১ যুগেরও বেশি সময় যাবৎ পরিচালিত হয়ে আসছে তার পরেও এই ব্যবসাটি সম্পর্কে জানার সুযোগ তুলনামূলক ভাবে খুবই কম। যার ফলে এই বিষয়টি নিয়েব্যপক সম্ভাবনা থাকার পরেও বিষয়টি নিয়ে অনেক বিভ্রান্তি এবং ভূল ধারনা লক্ষ্য করা যায়। তাই বিষয়টি সম্পর্কে প্রকৃত সত্য তথ্য, ইতিহাস এবং ডাইরেক্ট সেলিং ব্যবসার ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা জানার জন্য প্রশিক্ষনের কোন বিকল্প নেই।

আর যারা নেটওয়ার্ক মার্কেটিং ব্যবসায় ক্যারিয়ার তৈরি করতে চান অথবা এই ব্যবসাটি কে পার্টটাইম হিসেব করতে চান

তাদের জন্য নেটওয়ার্ক মার্কেটিং এর উপর প্রশিক্ষন গ্রহন করা বাধ্যতামূলক।

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে ১৮-২০ বছর পড়াশোনা করার পর আমরা কোন একটি নির্দিষ্ট বিষেয়ের উপর কাজ করার মতো জ্ঞান বা প্রাথমিক যোগ্যতা অর্জন করে থাকি। দুঃখজনক ব্যপার হচ্ছে এত সময়, শ্রম এবং অধ্যাবস্যায় প্রয়োগ করার পরেও অধিকাংশ ব্যক্তিকে শিক্ষিত বেকার হিসেবে পরিগনিত হতে হয়। আর যারা অনেকটা ভাগ্যগুনে বা মামা চাচার সহযোগীতায় কাজ করার সুযোগ পায় তাদের মধ্যেও কাংখিত সফলতার হার অনেক কম পরিলক্ষিত হয়।

এমন পরিস্থিতির বিপরীতে যেহেতু আপনি নেটওয়ার্ক মার্কেটিং ব্যবসায় স্বাধীনভাবে ক্যারিয়ার তৈরি করার স্বপ্ন নিয়ে কাজ শুরু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তাই আমি আপনাকে সাধুবাদ জানাই এবং আপনার সিদ্ধান্ত খুবই সময়োপযোগী সঠিক সিদ্ধান্ত বলে স্বীকৃতি দিতে চাই। কিন্তু একটু লক্ষ্য কলে দেখুন আপনার ১৮-২০ বছর পড়ালেখা করে নিজেকে তৈরি করার মোট সময়ের মধ্যে কতটুকু সময় আপনি নেটওয়ার্ক মার্কেটিং ব্যবসার জন্য বিনিয়োগ করেছেন।  আমি জানি উত্তর হবে ১ ঘন্টাও না! এখন প্রশ্ন হচ্ছে তাহলে আপনি সফলতা অর্জন করবেন কিভাবে?

নেটওয়ার্ক মার্কেটিং নিয়ে সুদীর্ঘ অর্ধ  যুগেরও বেশি সময় কাজ করার অভিজ্ঞতার আলোকে বলতে পারি, এখানে অনেক উচ্চ শিক্ষিত ব্যক্তি আছে যে সফল হতে পারেনি আবার অনেক অশিক্ষিত বা কম শিক্ষিত ব্যক্তিকে দেখেছি সফলতা পেতে। এই দুই শ্রেনীর ব্যক্তির মধ্যে সফলতা বা ব্যর্থতার মূল কারন হচ্ছে প্রশিক্ষন নেয়ার আগ্রহ থাকা এবং না থাকা। মনে রাখবেন যখন আপনি নেটওয়ার্ক মার্কেটিং ব্যবসা শুরু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তখন এই ব্যবসা সম্পর্কে আপনার জ্ঞান বা অভিজ্ঞতা শুন্য যদিও আপনার ব্যাকগ্রাউন্ড হতে পারে আপনি উচ্চ শিক্ষিত বা অশিক্ষিত। এটা সত্য যারা শিক্ষিত তারা হয়তো অন্যদের তুলনায় নেটওয়ার্ক মার্কেটিং ব্যবসার খুটি নাটি দ্রুত জানতে, উপলব্ধি করতে এবং আয়ত্ব করতে সক্ষম হবেন।

অনেক শিক্ষিত ব্যক্তিকে এও বলতে শুনেছি যে, আমি বিবিএ এমবিএ করা আমাকে আপনারা কি প্রশিক্ষন দিবেন? আমি সব জানি? আপনার প্রতি আমার প্রশ্ন হচ্ছে আপনার শিক্ষাজীবনে কয়টা সা্ব্জেক্ট বা কত ক্রেডিট ছিল নেটওয়ার্ক মার্কেটিং এর উপর। জানি সরল উত্তর হবে একটিও না। তাহলে আমার পরামর্শ হচ্ছে দয়া করে প্রশিক্ষন গ্রহন করুন। আপনার জন্য সুসংবাদ হচ্ছে আপনি ব্যবসাটি দ্রুত আয়ত্ব করতে পারবেন। কিন্তু প্রশিক্ষন অবশ্যই নিতে হবে।

এই উদাহরনটি একটু লক্ষ্য করুনঃ

ধরুন আপনি জানেন কিভাবে আলূ চাষ করতে হয়। এই বিষয় এর উপর আপনি হয়তোবা উচ্চ প্রশিক্ষন নিয়েছেন কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। এখন আপনাকে যদি দেয়া হয় একটি মাটির কলসি তৈরি করে দিতে। এমতাবস্থায় আপনার সারা জীবনের শিক্ষা, অভিজ্ঞতার আলোকে যতই চেষ্টা করেন আপনি কি কুমারের মত সুন্দর করে একটি কলসি তৈরি করতে পারবেন? নিশ্চই না! কিন্তু যদি আপনি একজন অশিক্ষিত (প্রচলিত শিক্ষা ব্যবস্থায়) কুমারের কাছ থেকে বিষয়টি একটু দেখেন এবং অনুশিলন করেন দেখবেন আপনি হয়তো ঐ কুমারের চেয়েও সুন্দর করে তৈরি করতে পারবেন।

তাইি আশা করি বুঝতে পেরেছেন যে, যেকোন বিষয়ে ভাল করতে চাইলে অবশ্যই ঐ বিষয়ে প্রশিক্ষন নিতে হবে। তাই নয় কি?

আমার অভিজ্ঞতায় অনেক ব্যক্তিকে বলতে শুনেছি আমি সব প্রশিক্ষন গ্রহন করে ফেলেছি! এখন কি করব?

আপনার জন্য পরামর্শ হচ্ছে প্রশিক্ষনগুলো আবার গ্রহন করুন। তার পর কি করবেন? আবার প্রশিক্ষন নিবেন। তার পর? আবার প্রশিক্ষন নিবেন।

এভাবে একই প্রশিক্ষন কতবার এবং কত দিন গ্রহন করতে হবে?

উত্তর দিতে চাইনা শুধু আপনাকে একটি প্রশ্ন করতে চাই, প্রতিদিনই তো তিন বেলা নিয়ম করে খাবার গ্রহন করছেন। একই খাবার আর কত দিন গ্রহন করতে থাকবেন? নিশ্চই যতদিন বেচে থাকবেন! তাই না? ঠিক তেমনি, যতদিন নেটওয়ার্ক মার্কেটিং ব্যবসা করবেন এবং ব্যবসায়ীক উন্নতি চাইবেন ঠিক ততদিন প্রশিক্ষন গ্রহন করতে হবে।

একই প্রশিক্ষন বার বার করতে ভাল লাগে না! বিরক্ত লাগে! করনীয় কি?

দেখুন আমরা যারা মানুষ তাদের অনেক সীমাবদ্ধতা আছে। অভাব আছে। যার ফলেই আমাদের কাজ করতে হয়। জীবিকার তাগিদে বেচে থাকার জন্য এমন অনেক কিছুই আমাদের প্রতিনিয়ত করতে হয় যা করতে আমাদের ভাল লাগেনা বা আমরা বিরক্ত হই। যেমন ধরুন প্রতিদিন সকাল বেলা নিয়ম করে একই টয়লেটে হাজিরা দিতে বা একই বাথরুমে গোসল করতে আমাদের ভাল লাগে না কিন্তু করতে হয়। প্রতি দিন বাজারের ব্যাগ নিয়ে বাজারে যেতে ভাল লাগে না কিন্তু যেতে হয়। স্কুল কলেজ বা চাকুরীতে নিয়ম করে যেতে হয় কিন্তু ভাল লাগে না। এমনও হতে পারে আমার এই লেখাটি পড়তে আপনার বিরক্ত লাগছে কিন্তু সফলতা পাবার জন্য করনীয় কি জানার জন্য বিরক্তি নিয়ে হলেও পড়ছেন! ঠিক তেমনি নেটওয়ার্ক মার্কেটিং ব্যবসায় সফলতা পেতে এবং সফলতার উচ্চ শিখরে নিজেকে দেখতে চাইলে নিয়মিত প্রশিক্ষন নিতে হবে।

যদি আমাকে জিজ্ঞেস করেন নেটওয়ার্ক মার্কেটিং ব্যবসায় সফলতার জন্য একটি কাজের পরামর্শ দিন। তাহলে বলব অবশ্যই নিয়মিত প্রশিক্ষন গ্রহন করুন। আপনার সফলতা নিশ্চিত, ইনশা-আল্লাহ্।


১০০ নেটওয়ার্ক মার্কেটিং টিপস-দ্বিতীয় অংশ


১০০ নেটওয়ার্ক মার্কেটিং টিপস – দ্বিতীয় অংশ

একজন সফল নেটওয়ার্কারের সাক্ষাৎকার

প্রশ্ন কেন আপনি নেটওয়ার্ক মার্কেটিং ব্যবসাকরছেন?

উত্তর এটি একটি স্বাধীন ব্যবসা যেখানে আর্থিক স্বচ্ছলতা লাভ করা যায়। কিছু সময় পরিশ্রম করে দ্রুত অবসর নেয়া যায় এবং মানুষের ভালবাসা অর্জন করা যায়-এজন্য।

প্রশ্ন নেটওয়ার্ক মার্কেটিং ব্যবসায় আপনারউদ্দেশ্য কি?

উত্তর আমার ডাইনলাইনের প্রত্যেক ডিস্ট্রিবিউটরকে সম্পদশালী করে তোলতে সাহায্য করা।

প্রশ্ন আপনি এখানে মূলত কি কাজ করেন?

উত্তর আমি এখানে তিনটি কাজ করি এক- সেল্স ভলিউম বাড়াতে পণ্য বিক্রয় করি, দুই- আমার টিমে মেম্বার সংখ্যা বাড়ানোর চেষ্টা করি, তিন- প্রত্যেককে আমার কাজগুলো নকল করতে পরামর্শ দেই।

প্রশ্ন ব্যবসারম্ভের শুরু থেকেই কি আপনি ফুলটাইম সময় দিচ্ছেন?

উত্তর ব্যবসারম্ভের প্রাক্কালে চাকুরীর পাশাপাশি এখানে পার্ট টাইম সময় দিয়েছি, এখানে এসে জেনেছি, শিখেছি এবং স্পন্সর করিয়েছি। এখন ফুলটাইমার কারন আর্থিক স্বচ্ছলতা লাভ করেছি পরিবারকে সময় দিতে পারছি এবং স্বাধীনভাবে ঘুরে বেড়াচ্ছি।

প্রশ্ন আপনার মতো কি আমার পক্ষে সম্ভবহবে?

উত্তর আমাকে ডুপ্লিকেট করুন হয়তো আমার চেয়ে বেশী সফল হবেন।

প্রশ্ন এখানে একসাথে এত লোক কাজ করেআপনার সমস্যা হয়না?

উত্তর না, কারন এখানে প্রত্যেক নিজের জন্য কাজ করে, প্রত্যেকে প্রত্যেককে সহযোগিতা করে এবং প্রত্যেকে এক প্রতিষ্ঠানে কাজ করে।

প্রশ্ন আপনার মতো প্রাথমিক পর্যায়ে কাউকেস্পন্সর করতে ব্যর্থ হলে কি করা উচিত?

উত্তর প্রাথমিক পর্যায়ে পণ্যসামগ্রী ক্রয় ও বিক্রয়ের মাধ্যমে কমিশন অর্জন করে ধৈর্য্য ধারন করা উচিত।

প্রশ্ন কোন্টি আপনার নিকট গুরুত্বপূর্ণ পণ্যবিক্রয় না কি স্পন্সরিং?

উত্তর দুটোই, তবে কমিশন প্লানের ধরন অনুযায়ী দীর্ঘমেয়াদে সফলতার জন্য স্পন্সরিং অধিক গুরুত্বর্পূন যেমন- বাইনারিতে।

প্রশ্ন আপনি কিভাবে টিম্ওয়ার্ক করবেন?

উত্তর আমার ডাউনলাইনের প্রত্যেক ডিস্ট্রিবিউটর আমার টিমের সদস্য

এ ক্ষেত্রে আমি যা করি তা হলো-

ক. প্রত্যেক সদস্যকে লক্ষ্য নির্ধারন করতে বলি ।

খ. সপ্তাহে বা মাসে লক্ষ্যার্জন করতে কতটুকু সমর্থ হলো তা লিপিবদ্ধ করতে পরামর্শ দেই।

গ এরপর প্রত্যেককে তার দলের  লক্ষ্য নির্ধারন করার পরামর্শ দেই।

ঘ. অতপর প্রত্যেককে এবং প্রত্যেক গ্রুপের কাজের মূল্যায়ন করি।

প্রতিটি গ্রুপ লক্ষ্য পূরন করতে কতটুকু সমর্থ হলো এবং লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থ হলে সমস্যা চিহ্নিত  করে তা সামাধানের পথে এগোই। এক্ষেেএ আমার আপলাইনারও আমার পরামর্শক।

প্রশ্নঃ নেটওর্য়াক মাকেটিং ব্যবসা হতে কতসময় পর্যন্ত আয় করা যায়?

উত্তর একমাএ নেট্ওয়ার্ক মাকেটিং ব্যবসায় দীর্ঘ সময় আয় করা সম্ভব  এমনকি মূত্যর পর নমিনী এ আয় ভোগ করাতে পারে ।

প্রশ্নঃ আপনার মতে নেট্ওর্য়াক মাকেটিং কিআত্নকর্মসংস্থানের উপায় ?

উত্তরঃ নেট্ওয়ার্ক মাকেটিং একটি বিনিয়োগবিহীন ব্যবসা । পেশা হিসেবে নেয়ার সুযোগ রয়েছে বিধায় এ পদ্ধতিকে আত্নকর্মসংস্থানের উপায় বলতে পারি।

প্রশ্নঃ নেট্ওর্য়াকমাকেটিং  আপনার স্লোগানকি?

উত্তরঃ সম্লিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে র্শীষে উত্তোরণ ।

প্রশ্নঃ আপনি কি নিজেকে সফল মনে করেন 

উত্তর যেদিন এ প্রতিষ্টানে জয়েন করি সেদিন হতে আমি সফল, এখন সফলতম হওয়ার চেষ্টা করছি।

প্রশ্নঃ আপনার অনুপ্রেরনা কি?

উত্তরঃ আমার সততা ।

প্রশ্নঃ একজন মানুষকে সুখী হতে হলে কি করাউচিত?

উত্তরঃ সুখের সন্ধান করা উচিত ।

প্রশ্নঃ আপনি শুরুতে  কেমন আর এখন কেমনআছেন?

উত্তর শুরুতে ছিলাম আত্মকেন্দ্রিক, আশাহত আর সুযোগ সন্ধানী এখন উন্মুক্ত, স্বপ্নে বিভোর আর অকৃত্রিম সহযোগী।

প্রশ্ন আপনার আপ-লাইন কি আপনাকেসার্বক্ষণিক সহযোগিতা করেন?

উত্তর আমার আপ-লাইন আরো অনেকেরই আপ-লাইন সেজন্য সার্বক্ষণিক তদারকি করতে পারেন না তবে যখনই আমার প্রয়োজন হয় তখনই আমাকে তারা সহযোগিতা করেন।

প্রশ্ন আপনি কিভাবে প্রমান করবেন আপনারকোম্পানী শতভাগ সঠিক?

উত্তর আমাদের কোম্পানী পণ্য বিপণন করে। যেহেতু অর্থের বিনিময়ে দৃশ্যমান পণ্য বিক্রয় করে এবং লভ্যাংশ ডিস্ট্রিবিউটরদের মাঝে বন্টন করে সুতরাং এটি শতভাগ বৈধ।

প্রশ্ন আপনার মতে পিরামিড স্কীম  নেটওর্য়াকমার্কেটিং  দুটোর তফাৎ কি?

উত্তর সংক্ষেপে বলা যায় প্রথমটিতে কাগজ বিনিময় হয় দ্বিতীয়টিতে পণ্য বিনিময় হয়।

প্রশ্ন বহিবিশ্বে এমএলএম এত জনপ্রিয় হলেওআমাদের দেশে মোট জনসংখ্যার পাঁচ ভাগমানুষ এখনো  ব্যবসায় আসেনি কেন?

উত্তর প্রথমে দেখা যাক কারা এম এল এম ব্যবসায় আসে না ঃ

ক) যারা নতুনত্ব বিশ্বাস করে না।

খ) যারা এত সহজ আয়কে অবিশ্বাস্য মনে করে।

গ) যারা পিরামিড স্কীম দ্বারা প্রতারিত।

ঘ) এবং যারা শুনে বিশ্বাস করে, দেখার প্রয়োজন মনে করেন না।

এবার দেখা যাক কারা এমএলএম ব্যবসায়আসে

ক) যারা ইতিবাচক মনোভাব সম্পন্ন।

খ) যারা নিজের অবস্থানকে আরো সুদৃঢ় করতে চায়, এবং যারা অন্যের সাফল্যে আনন্দ লাভ করে।

প্রশ্ন একজন চাকুরীজীবি  একজননেটওয়ার্কারের মধ্যে পার্থক্য কি?

উত্তর প্রথমজন আয় অনুযায়ী ব্যয় করেন ও দ্বিতীয়জন ব্যয় অনুযায়ী আয় করেন। প্রথমজন জীবনভর পরিচালিত হয় ও একজন নেটওর্য়াকার নিজেই পরিচালক।

প্রশ্ন আপনার সাফল্যের পেছনে কারণগুলোকি?

উত্তর আত্মবিশ্বাস, দৃঢ়তা, পরিকল্পনা ও সময় সচেতনতা।

প্রশ্ন নতুনদের প্রতি আপনার পরামর্শ কি?

উত্তর যা করবেন বুঝে করুন, যা করবেন আন্তরিকতার সহিত করুন, যা আশা করেন তা বাস্তবায়নের জন্য অন্তত একবার প্রাণপন চেষ্টা করুন।

Thank you 4 reading this :-)

Friday, 26 July 2013

এমএলএম মানেই প্রতারণা নয়।



মাল্টি লেভেল মার্কেটিং নিয়ে মোটামুটি সারাদেশ জুড়ে আলোচনা-সমালোচনা, তর্ক-বিতর্ক ইত্যাদি চলছে। অধিকাংশ মানুষ বিশেষ করে মিডিয়া জগতের মানুষগুলো যেন মাল্টিলেভেল মার্কেটিং এর বিপক্ষে উঠে পড়ে লেগেছেন। অনেকদিনের পুরোনো ক্ষোভ যেন ফুঁসে উঠছে। মাল্টিলেভেল মার্কেটিং বা এমএলএম নিয়ে যতটা বলাবলি হচ্ছে প্রকৃতপক্ষে ততটা এখনও ঘটেনি। গুটিকয়েক প্রতিষ্ঠানের জন্য সমগ্র এমএলএম পদ্ধতির বদনাম হবে তা ঠিক নয়। কারো কারো স্টেটমেন্ট এমন যে, এটি বিশ্বব্যাপী নিষিদ্ধ একটি পদ্ধতি। আবার অনেক বাজার বিশেষজ্ঞ এর মতে, এটি সঠিক নয় কিংবা এটি বিপণনের কোন অংশ নয়। মূলত এমএলএম বা নেটওয়ার্ক মার্কেটিং যাই বলা হোক না কেন কোনটিতেই পদ্ধতিগত কোন ভুল নেই-ভুল হলো ব্যবহারিক বা প্রায়োগিক ক্ষে্ত্রে। কিছু কিছু প্রতারণামূলক ব্যবসা বা পদ্ধতির সাথে মাল্টিলেভেল মার্কেটিং জড়ানো খুবই হতাশাব্যঞ্জক। মনে করে দেখুন, সেই প্রাচীন ‘বারটার’ সিস্টেম থেকে পর্যায়ক্রমে মুদ্রাপ্রথা, ফেরিওয়ালাদের আর্বিভাব, ব্যবসায়িক বিনিময়,  লেনদেন, অতপর বাজার ব্যবস্থা ইত্যাদির মাধ্যমে আজকের এই সভ্য সমাজের প্রতিযোগীতাপূর্ণ আধুনিক বাজার ব্যবস্থা এবং সুপার শপ প্রথা। উপরের সবকটি পদ্ধতিই কোন না কোন স্থানে বাধাঁগ্রস্থ হয়ে চুড়ান্ত ফলাফল এসেছে। মাল্টিলেভেল পদ্ধতি আমাদের দেশে শুরুতেই কিছু অসাধু ব্যক্তির হাতে পড়েছে যার দরুন এর অপব্যবহারই সাধারন মানুষের কাছে দৃষ্টিগোচর হয়েছে। আমাদের প্রশাসনিক দুর্বলতার জন্যই কিছু অসাধু ব্যবসায়ী এখনো মিডিয়ার সামনে আসার সাহস পায়। দেশের প্রায় শতভাগ মানুষ যখন কোন একটি বিষয়ে স্পষ্ট তখনও সরকারের উদাসীনতা প্রশ্নের সম্মুখীন। ধীরে ধীরে আমাদের সরকারই যেন এমএলএম পদ্ধতির সম্ভাবনাটুকু শেষ করে দিচ্ছে। যেসব বিষয়ে আইন রয়েছে এবং আইনের কঠোর প্রয়োগ রয়েছে সেসব অনেক বিষয়ই এখনো প্রশাসনের অনিয়ন্ত্রিত অন্যদিকে এমএলএম-এর কোন আইন বা নীতিমালা না হওয়ায় সম্পূর্ণ বিষয়টি এখনো প্রতারক ও অসাধু ব্যবসায়ীদের হাতেই রয়েছে। বিশ্বের কোথায় কোন কোন প্রতিষ্ঠান, কোন কোন ব্যক্তি মাল্টিলেভেল মার্কেটিং এর নামে প্রতারণা করেছে সেসব ইতিহাস না উল্টিয়ে বর্তমানে সমগ্র বিশ্বের দেশসমূহে (বিশেষ করে উন্নত দেশসমূহে) মাল্টিলেভেলের অবদান কতখানি তা অনুসরণ করা উচিত। ডিরেক্ট সেলস্ এর একটা আধুনিকতম পদ্ধতি হলো এমএলএম। সহস্র বছর ধরে ডিরেক্ট সেলস্ জনপ্রিয়তা পেলেও এমএলএম বিষয়টির দুর্নাম ছড়িয়েছে এর অপব্যবহারের কারণে। মাল্টিলেভেল মার্কেটিং এর প্রকৃত অবস্থান ও এর ভালো দিকগুলো মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দেয়ার দায়িত্ব রইল নেটওয়ার্কার ও লিডারদের ওপর। ধন্যবাদ

Thursday, 25 July 2013

ইতিবাচক ভাবনাঃ যে কোন খারাপ দিনকে ভাল করার ৭টি সহজ পন্থা


positive_thinkingসকালবেলার কোন এক খারাপ অভিজ্ঞতার কারণে আপনার পুরো দিনকে নষ্ট করবেন না। অবস্থার পরিবর্তন করতে এই মানসিক ট্রিকসগুলো কাজে লাগিয়ে দেখুন।

 

 

সকালবেলা খারাপ কেটেছে? সবকিছুই ঘোলাটে দেখাচ্ছে? চিন্তার কিছু নেই। এর কারণে আপনার পুরোটা দিন যে খারাপ যাবে তা কিন্তু না। হতে পারে ঐদিনই আপনার জীবনের অন্যতম শ্রেষ্ঠ দিন হয়ে উঠল, তবে এর জন্য আপনাকে এই সহজ ধাপগুলো অনুসরণ করতে হবেঃ

 

মনে রাখুন যে, অতীত কিন্ত ভবিষ্যত গড়ে দেয় না

পুরনো দুর্ভাগ্য পিছু ছাড়ছে না – এ রকম বলতে আসলে কিছু নেই। এ রকম উদ্ভট ধারণা মানুষদের পোষণ করার কারণ হল মানুষের মস্তিষ্ক র্যান্ডম ঘটনার উপর ভিত্তি করে কিছু রূপরেখা তৈরি করে নেয় এবং সেটাই বেশি করে মনে রাখে।

 

নিজে থেকে কোন কিছু আগেভাগে অনুমান করে নেবেন না 

যদি আপনি ভাবেন যে এ পর্যন্ত যা হয়েছে দিনের পরবর্তী সময়ও ততটাই চ্যালেঞ্জিং হবে, তাহলে ধরে রাখুন আপনি সত্যি সত্যি কোন কিছু করে বসবেন বা বলে ফেলবেন যা আপনার ধারণাকে সঠিক প্রমাণ করবে।

 

অনুপাতের কথা চিন্তা করুন।

সদূরপ্রসারী চিন্তা করুনঃ যদি জীবনে বড় কোন ঘটনা (যেমন কোন প্রিয় মানুষের জীবনাবসান) না ঘটে থাকে, তাহলে আজকে যে বিষয় নিয়ে আপনার মেজাজ খিটখিটে সেই বিষয়টি বড়জোড় দুই সপ্তাহ আপনার মনে থাকবে, তারপর কিন্তু ঠিকই ভুলে যাবেন।

 

ভাল ও খারাপের মানদন্ড পুনর্মূল্যায়ন করুন

যেদিনেই আপনি ভাল কিছু করবেন সেটাই আপনার জন্য ভাল দিন – এমনটা ভাবার চেষ্টা করুন। একইভাবে ধরে নিন খারাপ দিন হল সেই দিন যেদিন আপনার গাড়ি বা অতি মূল্যবান কোন কিছু খোয়া যাবে। এ রকম করে ভাবলে আপনি সহজে খুশি থাকতে পারবেন এবং খুব একটা মন খারাপ আপনার হবে না।

 

আপনার শরীরের উপর নিয়ন্ত্রণ নিন

আপনার মস্তিষ্ক আর পুরো শরীরের কিন্তু একটা যোগযূত্র আছেঃ মুড খারাপ হলে আপনি ক্লান্ত বোধ করবেন যার ফলে আপনার মুডের আরো অবনতি হতে পারে। এমনটি হলে উঠে দাঁড়ান এবং একটু এদিক-ওদিক ঘোরাফেরা করুন। বাইরে হাঁটতে যান বা স্বাস্থ্যকর কোন খাবার গ্রহণ করুন।

 

যা ভাল যাচ্ছে তাতে মনোনিবেশ করুন

যেটা খারাপ হয়েছে সেটা নিয়ে ভাবতে থাকলে দিন তো খারাপ যাবেই। তবে যদি কোনকিছু খারাপ হয়ে থাকে, তাহলে ভাবুন যে এটার বিপরীতে আরো অনেক কিছু ভালভাবেই চলছে। ভাল জিনিসের তালিকা করুন এবং যখন দরকার হবে তখন তা মনে করার চেষ্টা করুন।

 

বিস্ময়কর কিছু প্রত্যাশা করুন

দুশ্চিন্তার ফলে যেভাবে বেশি বেশি সমস্যা আপনার চোখে ধরা দেবে ঠিক সেভাবে আপনি যদি ভবিষ্যতের জন্য বিস্ময়কর কিছু প্রত্যাশা করেন তাহলে তা আপনাকে উজ্জীবিত রাখবে এবং আপনার চারপাশে বর্তমানের সব ভাল জিনিসগুলোর ব্যাপারে আপনাকে ইতিবাচক করে তুলবে।

 

[অনুবাদ]

Wednesday, 24 July 2013

নতুন ডিস্ট্রিবিউটরের জন্য ওয়ার্কিং টিপস


* পিছু লোকের কথা শোনা যাবে না
বাংলাদেশের বেশিরভাগ মানুষই জানে না যে, মাল্টিলেভেল মার্কেটিং কী এবং কী এর সম্ভাবনা, যে কারণে যখন আপনি অন্য কাউকে বোঝতে যাবেন তখন বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই মানুষ বোঝে না বা উল্টো আপনাকে বুঝিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে। নতুন ডিস্ট্রিবিউটররা এক্ষেত্রে বেশি সমস্যায় পড়ে এবং উল্টো নিজেই বুঝে চলে আসে। ফলে কিছু কিছু ডিস্ট্রিবিউটর ধৈর্যহারা হয়ে যেতে পরে। ২৫ জনকে বোঝালে ২০ জনই আপনাকে উল্টা বোঝানোর চেষ্টা করবে, আর বাকি ৫ জন আপনার বিজনেসকে সমর্থন করবে। যারা ওই ২০ জনকে উপেক্ষা ধৈর্যহারা না হয়ে কাজ করতে থাকবে তারাই এই বিজনেসে সাফল্য লাভ করবে।
* যা করবেন এবং যা বলবেন
নিজের ভেতর এই বিজনেস সম্পর্কে পূর্ণ বিশ্বাস থাকতে হবে। আপনি জীবন থেকে 'যদি', 'কিন্তু', 'অসম্ভব', 'সমস্যা' এবং 'চেষ্টা করবো' এই ৫টি বিষয়কে এড়িয়ে চলবেন। উন্নত স্বপ্ন দেখবেন, স্বপ্নের ছবি/প্রতিকৃতি চোখের সামনের রাখবেন। যারা সাফল্যলাভ করেছেন তাদের অনুসরণ করবেন। স্বপ্নের কথা প্রায় সময় কল্পনা 
করবেন। মনের ইচ্ছা বাইরে প্রকাশ করা থেকে বিরত থাকবেন, কেবল যাকে ভরসা করা যায় তাকে বলবেন। আমাদের দেশের মানুষের ধারণা, যে কাজ টেবিলে বসে করা হয় সে কাজ উচ্চমানের এবং যে কাজে ফিল্ডওয়ার্ক আছ সে কাজ নিচু মানের। অথচ একজন এম.বি.এ.এর ছাত্র পাস করে কোনো কোম্পনিতে চাকরি করে মার্কেটিং সেক্টরে। আর মার্কেটিং মানেই হচ্ছে ফিল্ডওয়ার্ক। আমরাও কিন্তু মার্কেটিংয়ের কাজটাই করছি। তফাৎটা হল মার্কেটিংয়ের চাকরিজীবীর চেয়ে আমরা অনেক বেশি আয় করতে পারি। মনে রাখবেন, চেয়ারটেবিলে বসে অসদুপায় অবলম্বন ছাড়া মাসিক সর্বোচ্চ ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকার বেশি সাধারণত আয় করা যায় না। নেটওয়ার্ক মর্কেটিংয়ে কিছুদিন ফিল্ডওয়ার্ক করুন, চেয়ারধারীদের চেয়ে অনেক বেশি হালাল আয় করতে পারবেন। কাজেই প্রত্যেক ডিস্ট্রিবিউটরের উচিত নিজের বিজনেসটাকে সম্মান দেওয়া এবং লজ্জা সহকারে নয় বরং গর্ব সহকারে কাজ করা।
* সমস্যার সমাধান আপনাকেই দিতে হবে
আপনি সবসময় চিন্তা করবেন আপনার ডাউনলাইনের ডিস্ট্রিবিউটরদের সব সমস্যার সমাধান আপনি নিজেই করবেন। যদি প্রত্যেকেই এমন করে চিন্তা করে তাহলে আপনার নেট অতিদ্রুত চলবে। সেক্ষেত্রে আপনি আপনার ডাউনলাইন থেকে কিছু লিডর তৈরি করবেন এবং তাদেরকে পরামর্শ দেবেন।
* ব্যর্থ হতে দেওয়া যাবে না
আপনার ডাউনলাইনের কোনো ডিস্ট্রিবিউটর যদি ব্যর্থ হয় সেক্ষেত্রে আপনার ক্ষতি তো হবেই, এমনকি সব মাল্টিলেভেল বিজনেসের ক্ষতি হবে। কারণ ব্যর্থ হয়ে সে ব্যক্তি আপনার আত্মীয়স্বজন অথবা বন্ধু-বান্ধবদের কাছে মাল্টিলেভেল বিজসেনকে খারাপ প্রমাণীত করার চেষ্টা করবে। এতে আপনি অনেক নতুন ডিস্ট্রিবিউটর থেকে বঞ্চিত হবেন। কাজেই আপনার নেট-এ যাতে কেউ ব্যর্থ না হয় সেদিকে অবশ্যই লক্ষ্য রাখবেন।
* বিজনেসে সময় দিন
আপনি বেকার, ছাত্র, চাকরিজীবী, ব্যবসায়ী যাই হোন না কেন দিনে অন্তত ২ ঘণ্টা সময় এই বিজনেসের জন্য ব্যয় করবেন। তাছাড়াও আপনি যখনই সময় পাবেন তখনই বিজনেস নিয়ে ভাববেন এবং পরিকল্পনা করবেন যে আপনি কীভাবে সামনে এগিয়ে যাবেন। মাল্টিলেভেল বিজনেস ধীরে ধীরে সম্পূর্ণরূপে আপনাকে বুঝতে হবে। কোনো বিষয়ে দক্ষ না হলে যেমন সেই বিষয়ের মাস্টার হওয়া যায় না, তেমনি নেটওয়ার্ক বিজনেসের কৌশল না বোঝা পর্যন্ত সাফল্য লাভ করা যায় না। নিজের ভেতরের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তরগুলো সিনিয়র অভিজ্ঞ ডিস্ট্রিবিউটরের মাধ্যমে জেনে নেবেন। (চলবে)
** বাধা অতিক্রম করতে হবে
সফল হতে হলে বিভিন্ন সময় বাধা-বিঘ্ন মোকাবিলা করতে হবে। নিজের ওপর নিয়ন্ত্রণ না থাকলে ছোটখাটো বাধায় আপনার স্বপ্ন ভেঙে যেতে পারে। সুতরাং সততা, আত্মবিশ্বাস ও ধৈর্য নিয়ে কাজ করলে আজ হোক কাল হোক সফলতা আসবেই।
** কাজ করার এখনই সময়
জীবনটা অভিনয়ের আগে 'ড্রেস রিহার্সেল' নয়। সে জীবন দর্শনেই বিশ্বাস থাকুক না কেন জীবনের খেলায় আমাদের হাতে মাত্র একটি গুলি আছে। এই খেলার বাজি অনেক বেশি বাজি হচ্ছে ভাবিষ্যৎ প্রজন্ম। সুতরাং কাজ করতে হবে এখনই। বর্তমান সময়কে সম্পূর্ণরূপে ব্যবহার করা প্রয়োজন। এর অর্থ অবশ্যই আছে। যদি বর্তমানকে যথাযথভাবে কাজে লাগানোর যায় তবে স্বাভাবিকভাবে তা-ই হবে ভবিষ্যতের জন্য বীজ বপন করা।
যোগদান-পরবর্তী করণীয় টিপস
** বিজনেস সেমিনার ও বেসিক ট্রেনিং কোর্সের সময়সূচি ও ভেন্যু (স্থান) জেনে নিন।
** কোম্পানির অনুমোদিত সনদপত্রসমূহের (লিগ্যাল পেপার) সংগ্রহ করন।
** ডিস্ট্রিবিউটরস্ ট্রি-পেপার, বিভিন্ন ধরনের প্রয়োজনীয় আবেদন ফরম, আমন্ত্রণ তালিকা, প্রোগ্রেস রিপোর্ট ও টার্গেট-প্ল্যানের ফরমেট সংগ্রহ করুন। আপনার স্পন্সর বা আপলাইনের একজন সিনিয়র ডিস্ট্রিবিউটরের কাছ থেকে কাগজপত্রগুলোর প্রাপ্তিস্থান জেনে নিন।
** ভিজিটিং কার্ডের জন্য অর্ডার দিন।
** (আবেদন ও চুক্তি ফরমে লিখিত চুক্তিনামার প্রতিটি পয়েন্ট মনোযোগ সহকারে পড়ুন।)
** (কীভাবে ফরম পূরণ ও ডিস্ট্রিবিউটরস ট্রি মেন্টেন করতে হয় শিখুন।)
** পরপর ৮টি ট্রেনিং বা প্রশিক্ষণ ক্লাসে অংশগ্রহণের মাধ্যমে কমপক্ষে ২ বার বেসিক ট্রেনিং কোর্সটি সম্পন্ন করুন। ট্রেনিংয়ের সময় একটি নোটবুক সঙ্গে রাখুন।
** ট্রেনিংয়ের পাশাপাশি পরিপূর্ণভাবে ব্যবসায়িক ধারণা (বিজনেস কনসেপ্ট) লাভের জন্য আরও ৪/৫টি বিজনেস সেমিনার অংশগ্রহণ করুন এবং আপলাইনের সঙ্গে আলোচনা করে পরিষ্কার ধারণা নিন।
** সব সময় কাগজ, কলম, ডায়েরি, আইডি কার্ড, ভিজিটিং কার্ড, পণ্যতালিকা,লিগ্যাল পেপার, ব্যবসায়িক প্রচারপত্র, ক্যাটালগ, ট্রেনিং ক্যাসেট, সিডি, ডকুমেন্টস ফাইল, ক্যালকুলেটর, স্ট্যাপলার মেশিন, স্ট্রাপলার পিন, পাঞ্চ মেশিন ইত্যাদি নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী নিজের কাছে রেখে ব্যবহার করুন।
** একটি শোভনীয় ফাইলবক্স বা হ্যান্ডব্যাগে নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রীগুলো রেখে ব্যবহার করুন।
** সবসময় অফিসিয়াল পোশাক ব্যবহার করুন।
** প্রতিদিন অফিসে আসুন; না পারলে সপ্তাহে অন্তত ২ বার অফিসে আসুন।
** সততার সঙ্গে কাজ করুন এবং মিথ্যা পরিহার করুন।
** অজুহাত পরিহার করুন, আলস্য ত্যাগ করুন এবং ব্যবসার জন্য প্রতিদিন অন্তত কিছু সময় ব্যয় করুন।
** হোমওয়ার্ক করুন। (যেমন- আমন্ত্রণ তালিকা তৈরি, টার্গেটপ্ল্যান, ট্রি-মেন্টেন শিট পূরণ)।
** ক্রসলাইনের ডিস্ট্রিবিউটরদের সঙ্গে সু-সম্পর্ক বজায় রাখুন এবং প্রয়োজনে বিভিন্ন কাজে সহায়তা করুন।
** সহকর্মীদের সম্বন্ধে কখনো কোনো আশোভনীয় মন্তব্য করবেন না।
** নিয়মিত সাপ্তাহিক টিম-মিটিংয়ে অংশ নিন এবং নিজের টিম গঠনের পর নিয়মিত সাপ্তাহিক টিম মিটিংয়ের আয়োজন করুন বা টিম মিটিংয়ে অংশ নিন।
** হতাশ হবেন না, ধৈর্য ও মনোবল ধরে রাখুন। কোনো অপপ্রচারে ঘাবড়াবেন না বা বিভ্রান্ত হবেন না। কারণ এম.এল.এম. ব্যবসা খুবই স্বচ্ছ এবং ঝুঁকিমুক্ত।