Sunday, 18 August 2013

এমএলএম পদ্ধতিতে কিভাবে পণ্য বিপণন করা হয়?


প্রচলিত পদ্ধতিতে একটি পণ্য উৎপাদিত হয়ে সরাসরি ক্রেতা বা ব্যবহারকারীর নিকট যেতে পারে না। একটি পণ্য উৎপাদন করতে যে খরচ হয় সেই খরচের সাথে লভ্যাংশ যোগ করে সংশি¬ষ্ট উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানটি একসাথে একটি এজেন্সীর কাছে পণ্যগুলো সরবরাহ করে থাকে। এজেন্সী পণ্যগুলোকে তার সুবিধামতো পাইকারী বিক্রেতাদের কাছে একটা লভ্যাংশ যোগ করে বিক্রি করে দেয়। পাইকারি বিক্রেতারা উক্ত পণ্যসমূহ খুচরা বিক্রেতাদের নিকট নিজের লভ্যাংশ রেখে সরবরাহ করে। ভোক্তা বা ক্রেতা অর্থাৎ যিনি পণ্য ব্যবহারকারী তাঁকে উক্ত পণ্যটি খুচরা দোকানদারের নিকট থেকে ক্রয় করতে হচ্ছে। ধরা যাক আব্দুল হালিম নামে এক ভদ্রলোক ঢাকার বসুন্ধরা সিটির একটি কাপড়ের দোকান থেকে একটি সার্ট বা জামা ক্রয় করলেন ১০০০ টাকা দাম দিয়ে। বসুন্ধরা সিটির ওই দোকানী সার্টটিতে লাভ করলেন মাত্র ১০০ টাকা, অর্থাৎ এই সার্টটি তিনি কোন একটি পাইকারী বিক্রেতার কাছ থেকে সংগ্রহ করেছেন ৯০০ টাকার বিনিময়ে। ওই পাইকারি বিক্রেতা আবার সার্টটিতে ২০০টাকা লাভ করেছেন, অর্থাৎ এজেন্সী থেকে তিনি সার্টটি ক্রয় করেছেন ৭০০ টাকা দিয়ে। এজেন্সী সার্টটিতে ৩০০ টাকা লাভ করেছে অর্থাৎ সার্টটি উৎপাদনকারী তাঁর খরচ এবং লাভসহ এজেন্সীর কাছে বিক্রি করেছে মাত্র ৪০০ টাকা দিয়ে। উৎপাদনকারীর যদি এই সার্টে উৎপাদন খরচ ৩০০ টাকা হয় তাহলেও দেখা যাচ্ছে তিনি সার্টটিতে ১০০ টাকা লাভ করলেন। অথচ প্রকৃত ব্যবহারকারী যিনি অর্থাৎ ভোক্তা বা ক্রেতাকে সার্টটি ক্রয় করতে হলো ১০০০ টাকা দিয়ে। মাঝখানে কয়েকটি হাতবদলের সময় সার্টটির দাম আরো ৬০০ টাকা বেড়ে গেল। যদি উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানটি সরাসরি সার্টগুলো ক্রেতা/ ব্যবহারকারীর নিকট ১০০০ টাকা দামে বিক্রি করতো তাহলে ১০০ টাকার জায়গায় লাভ করতে পারতো ৭০০ টাকা। মধ্যস্বত্তভোগী বলে পরিচিত এজেন্ট, পাইকারি বিক্রেতা এবং খুচরা বিক্রেতারা এখানে অংশ নিতে পারতোনা। সে ক্ষেত্রে উক্ত উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের ক্রেতা সংগ্রহ করা কঠিন হয়ে যেত নতুবা তাকে আরো বিনিয়োগ করে ব্যবসার পরিধি বাড়াতে হতো। কিন্তু উক্ত উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান যদি এমন কোন ঘোষণা দেয়, যে এখান থেকে একটি সার্ট যিনি ক্রয় করবেন, তাঁর রেফারেন্সে আরো ক্রেতা আসলে আমি যে মুনাফা অর্জন করবো, তাঁর একটি অংশ রেফারেন্সকারী ক্রেতাকে দেয়া হবে। তাহলেই উক্ত প্রতিষ্ঠানটি ডাইরেক্ট মার্কেটিং কোম্পানি বলে গণ্য হবে। আর এই ডাইরেক্ট মার্কেটিং কোম্পানি মূলতঃ নেটওয়ার্কের মাধ্যমে পরিচালিত হয় বলেই একে নেটওয়ার্ক মার্কেটিং কোম্পানি বলা হয়। বিভিন্ন পদ্ধতি প্রয়োগ করা হয় বলে, বিভিন্ন কোম্পানি বিভিন্ন নামে পরিচিতি লাভ করে। ক্রেতা সদস্যদের মধ্যে লভ্যাংশ বন্টনের ক্ষেত্রে বেশিরভাগ কোম্পানি একটি লেভেল পরিমাপ করার কারণেই এ জাতীয় কোম্পানিগুলোকে মাল্টি লেভেল মার্কেটিং বা এমএলএম কোম্পানি বলা হয়। নিচের ছকের মাধ্যমে প্রচলিত পদ্ধতির সাথে ডাইরেক্ট মার্কেটিং পদ্ধতির পার্থক্য তুলে ধরা হলোঃ

প্রচলিত পদ্ধতিঃ
পণ্য উৎপাদনকারী/ আমদানীকারক–> এজেন্সী–> পাইকাবিক্রেতা–> খুচরা বিক্রেতা–> ক্রেতা/ ভোক্তা
ডাইরেক্ট মার্কেটিং পদ্ধতিঃ
পণ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান/ আমদানীকারক–> সরাসরি ক্রেতা/ ভোক্তা।
প্রচলিত পদ্ধতিতে পণ্য বিপণনের জন্য প্রচুর টাকা খরচ করে বিজ্ঞাপন দেওয়ার প্রয়োজন থাকলেও এমএলএম পদ্ধতিতে কোন বিজ্ঞাপনেরই প্রয়োজন হয় না।

www.enloving.com

Kazi ashraful Islam 

বায়োএনার্জেটিক হেলথ ব্রেসলেট:

 বায়োএনার্জেটিক হেলথ ব্রেসলেট

প্রারম্বিকা :-
সামপ্রতিক বছরগুলোতে প্রথাগত বা তথ্য প্রমাণ ভিত্তিক ডাক্তারী চিকিৎসা পদ্ধতির পাশাপাশি নব চিকিৎসা পদ্ধতি পাশাপাশি নব নব চিকিৎসা পদ্ধতি উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। তবে নতুন চিকিৎসা পদ্ধতিগুলোর মধ্যে সবচেয়ে কার্যকর, ব্যবহারে সহজ এবং প্রমানিত পদ্ধতি হচ্ছে চুম্বকীয় আবেশ এবং ঋণাত্মক আবেশ সমুদ্ধ উপাদানের ব্যবহার। এ ধরনের উপাদানের ব্যবহার প্রাথমিকভাবে ছোট খাট অসুস্থতাকে সারিয়ে আমাদের শরীরকে যেমনি উদ্যমশীল করতে সম, তেমনি সুস্থ অবস্থায় ব্যবহার শুরু করলে অনেক ধরনের কঠিন রোগ থেকে ঝুঁকি এড়ানো সম্ভব।
বর্তমান বিশ্ব স্বাস্থ্যঃ
চিকিৎসা বিজ্ঞানের ইতিহাস হতে জানা যায়, খৃঃ পূর্ব ২০০০ বৎসর পূর্বে চীনারা সর্বপ্রথম মানবদেহের বিভিন্ন চিকিৎসায় ম্যাগনেটিক থেরাপীর ব্যবহার শুরু করেন। বর্তমানে সারা পৃথিবীতে ১০০ মিলিয়নেরও বেশি লোক রোগের উপশমের জন্য ম্যাগনেটিক থেরাপী ব্যবহার করেতেছে। এদের মধ্যে চীনা, জাপানীজ, কোরিয়ানরাই প্রায় ৬০ মিলিয়ন। যার ফলে এতদ্অঞ্চলেল পৃথিবীর অন্যান্য অঞ্চলের তুলনায় মানুষ কম রোগাক্রান্ত
Enloving এর পণ্য: বায়োএনার্জেটিক হেলথ ব্রেসলেট :-

চুম্বকীয় আবেশ ।
ঋণাত্মক আবেশ ।
সূর্যের দূর অদৃশ্য লালরশ্মি
ষ্টেইনলেস ষ্টিল- ৩১৬মেটাল সমৃদ্ধ উপাদান দ্বারা এটি তৈরী যার গুনাগুন পরবর্তী দীর্ঘদিনেও অুন্ন থাকবে। ব্রেসলেটের মডেল কিংবা আকার আকৃতি ভিন্নতর হলে ও কার্যকারিতা একই। কারণ প্রতিটি ব্রেসলেট এ নিয়োডাইমিয়াম চুম্বকের পরিমান ২৫০০- ৩০০০ গস (জি)।
বায়োএনার্জেটিক হেলথ ব্রেসলেট ব্যহারের উপকারিতা :-

শরীরের রোগ প্রতিরোধ মতা বাড়ায়।
রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি

রক্ত কোলেষ্টরল ফ্রী করে।

বিভিন্ন ধরনের ব্যথা (বাতের ব্যথা, মাথাব্যথা, আঘাতজনিত ব্যথা, পেশীর ব্যথা, জোড়াসন্ধির ব্যথা, গ্যাষ্টিকের ব্যথা) দূর করে।

শরীরের যাবতীয় বিষাক্ত পদার্থ (টঙ্নি) বের করে দেয় ।

হাঁপানী (এ্যাজমা) নিয়ন্ত্রন করে।

ডায়াবেটিক রোধে কার্যকরী ভুমিকা রাখে।

কিডনী ও লিভারের সমস্যা দূর করে।

হরমোন উৎপাদন করে ও যৌন উদ্যম সবল করে ।

ঘুমে নাক ডাকা

কানত্দি/দূর্বলতা দূর করে শক্তি উজ্জীবিত করে।

নিজেকে সর্বদা ফ্রেশ এবং এনার্জেটিক মনে হয়।

হাই ব্লাডপ্রেসার (উচ্চ রক্তচাপ) নিয়ন্ত্রন করে।

অনিদ্রাভাব দূর করে।

হতাশাগ্রস্থতা নাশ করে।

মোবাইল ফোনের ভয়ানক রেডিয়েশন (পজেটিভ আয়ন) থেকে নিজেকে রা করে।

চর্মরোগ (এলার্জি, ব্রণ, একজিমা) উপশমসহ আরো অনেক রোগের প্রতিরোধ ও প্রতিকার করে।

Enloving বায়োএনার্জেটিক হেলথ ব্রেসলেট প্রাপ্তি স্থানঃ


Enloving Bangladesh : 
Loading.........(coming soon)

Enloving Malaysia office 
Mohammad alamgir hossain (alam)
+60109107192
mohammad moti howladar 
+60146290343
mohammad amin sarker
+60169837915

প্রতিটি বায়োএনার্জেটিক হেলথ ব্রেসলেট মূল্য ৮০০০ টাকা কিংবা ১০০ us ডলার (দুই পিস)


কেউ যদি নিতে চান তা হলে, নিম্ন লিখিত মোবাইল নাম্বারে যোগাযোগ করুন:-


Wednesday, 14 August 2013

এম.এল.এম. এর উপর কিছু কথা (পার্ট-১) যারা জানেন না তাদের জন্য

নেটওয়ার্ক মার্কেটিং কিংবা মাল্টি লেভেল মার্কেটিং (এমএলএম) ব্যবসা পদ্ধতিতে আপনাকে স্বাগতম। বিশ্ব জুড়ে একথা প্রমাণিত যে, উৎপাদিত পণ্য বা সেবার যথাযথ বাজার বা মার্কেটের অনুপস্থিতিতে সকল আয়োজন ধূলিসাৎ হয়ে যায়, থেমে যায় উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের গতি। এক্ষেত্রে সকল উদ্যোক্তাই একমত যে, বিপণন কর্মকান্ড সফল না হয়ে কোন উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানই টিকে থাকতে পারে না। এসব বিবেচনা থেকেই বিশ্বব্যপী রথী-মহারথী, উদ্যোক্তা ও বিপণন বিশেষজ্ঞরা বিভিন্ন কর্মপদ্ধতি, নীতি ও প্রয়োগিক দিক নিয়ে বিস্তর গবেষণা করেছেন। উদ্ভুত প্রেক্ষাপটে একথা গৌরবের সাথে বলা যা যে, মাত্র কয়েক দশকে পণ্য বিপণন ক্ষেত্রে নেটওয়ার্ক মার্কেটিং বা মাল্টি লেভল মার্কেটিং পদ্ধতিটি বিশ্বজুড়ে অত্যন্ত সফল একটি মার্কেটিং কনসেপ্ট বা Mechanism হিসেবে যথেষ্ঠ আস্থা অর্জন করতে সমর্থ হয়েছে। পদ্ধতিগত বৈশিষ্ট্য, প্রয়োগশৈলী এবং গণমূখী চরিত্র বা প্রকিয়া ধীরে ধীরে এ পদ্ধতিটিকে এযাবৎকালে উদ্ভাবিত আধুনিক বিপণন পদ্ধতি গুলোর মধ্যে শ্রেষ্ঠতম মার্কেটিং পদ্ধতির রূপ পরিগ্রহে উৎসাহিত করেছে।  (প্রত্যেক ব্যক্তি ভিন্ন ভিন্ন ব্যবসা ক্ষেত্র তৈরী করার চেয়ে নেটওয়ার্ক ব্যবসা ক্ষেত্র অপেক্ষাকৃত অধিক নিরাপদ।)

সময়ের চাহিদা পূরণে সক্ষম এই বহুমাত্রিক পণ্য বিপণন ব্যবসায় (Direct Marketing or Network Marketing or Multi-Level Marketing) ডাইরেক্ট মার্কেটিং বা নেটওয়ার্ক মার্কেটিং বা মাল্টি-লেভেল মার্কেটিং পদ্ধতিটি বাংলাদেশে সর্বস্তরের মানুষের কাছে ক্রমাগত জনপ্রিয়তা পাচ্ছে। যে প্রেক্ষাপটে এ ব্যবসা দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে উঠছে, তার বিশদ ব্যাখ্যা এ স্বল্প পরিসরে দেয়া না গেলেও একথা নিঃসন্দেহে বালা যায় যে, নেটওয়ার্ক মার্কেটিং বা এম.এল.এম. পদ্ধতি প্রয়োগে বেকারপীড়িত এদেশের লক্ষ লক্ষ মানুষকে আত্ম-কর্মসংস্থানের পথ দেখিয়েছে, আলোর পথ পেতে সাহায্য করেছে। কর্মবিহীন শিক্ষিত যুবক-যুবতী এ পদ্ধতিতে আত্মকর্মনির্ভর হয়ে সার্বক্ষণিক বা আংশিক শ্রম দিয়ে, যৎসামান্য পুজি বিনিয়োগে বা বিনা পুজিতে (পণ্য বিপণনের মাধ্যমে) নিজেদেরকে স্বাবলম্বী হিসেবে সমাজে প্রতিষ্ঠিত করতে পারে। ছাত্র-ছাত্রী, স্বল্প আয়ের চাকুরিজীবী, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী, সমাজসেবী, রাজনীতিবিদ, এমনকি যে কোন পেশার মানুষকে এ প্দ্ধতি এনে দেয় আর্থিক স্বচ্ছলতা এবং স্বস্তিময় জীবনমান। এজন্য অতি উচ্চ শিক্ষা বা পূর্ব অভিজ্ঞতা অত্যাবশ্যকীয় নয়। আর এজন্য বিশ্বের বহু দেশে এই বিপণন পদ্ধতিটি "Freedom Enterprise" হিসেবে আখ্যায়িত।

এখন আমরা জনবো ডাইরেক্ট মার্কেটিং বা নেটওয়ার্ক মার্কেটিং বা মাল্টি-লেভেল মার্কেটিং বলতে যা বুঝায়-"ভোক্তাশ্রেণীর পারস্পরিক সম্পর্ককে তথ্য সরবরাহ ও বিজ্ঞাপনের কাজে বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করে পণ্য দ্রুত এবং সরাসরি ভোক্তার কাছে বিপণন করাটাই ডাইরেক্ট মার্কেটিং বা নেটওয়ার্ক মার্কেটিং এর বৈশিষ্ট্য।"

এ কথা বলার অপেক্ষা রাখে না যে, আমরা অনেকেই জীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে বহুকাল ধরে পরোক্ষভাবে নেটওয়ার্ক মার্কেটিং এর কর্মটি করে চলছি এবং তা অনেকটা মনের অজান্তে। এবংএকথাটিও সত্য যে, এ সম্পর্কে আমাদের অনেকেরই তথ্যনির্ভর ধারণাও যথেষ্ট কম।

এক্ষেত্রে উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করা যায় যে, আপনি যখন কোন একটি ভাল বই পড়ে বেশ আনন্দ পান, কিংবা কোন ভাল রেষ্টুরেন্টের খাবার খেয়ে উপভোগ করেন বা ভাল একটি সিনেমা বা নাটক দেখে খুব আনন্দ উপভোগ করেন, তখন আপনি এটি আপনার নিজস্ব পরিমণ্ডলের অন্যদের কাছে প্রায়শঃ প্রচার করে থাকেন। আর এ কাজটি আপনি নিছক কথার ছলেই বলে বেড়ান।

যদি কাজটি আপনি প্রতিনিয়ত করে থাকেন তাহলে আপনি অবশ্যই নেটোয়ার্কিং পদ্ধতির কাজটি করে বেড়াচ্ছেন বলে ধরে নেয়া যায় এবং এর ফলে আপনাকে বলা যায় একজন নেটওয়ার্কার। পার্থক্য শুধু এতটুকু যে আপনার টেওর্য়াক কাজের দ্বারা যে পণ্য বা সেবার ফ্রি বিজ্ঞাপন হয়ে যাচ্ছে, যাবে এর জন্য যে বিপণনকারী সংগঠন আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছে  (দোকানদার বা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানটি), তাদের কেউই আপনাকে কোন বিপণন কমিশন বা আর্থিক সুবিধা দিচ্ছেন না বা দেবেননা। ন্যূনতম সৌহার্দ্যবোধে আপনাকে ধন্যবাদ জ্ঞাপনও করেননি বা করবেন না, বিনামূল্যে এই বিজ্ঞাপন প্রচারের কাজটি করার জন্যে। তবে নেটওর্য়াক মার্কেটিং প্রতিষ্ঠান আপনার এ ধরণের প্রচারের কারণে যদি কোম্পানীর কোন পণ্য বা সেবা বিপণন হয়ে থাকে, সে জন্য আপনাকে আর্থিক সুবিধা হিসেবে বিপণন কমিশন দিতে আগ্রহী। গতানুগতিক পণ্য বিপণন পদ্ধতির সাথে কাঠামোগত নেটোয়ার্ক বিপণন পদ্ধতির মধ্যে পার্থক্য এটুকুই।

নেটওয়ার্ক মার্কেটিং পদ্ধতি হচ্ছে, ব্যক্তির সংগে ব্যক্তির (ইন্টার-পার্সোনাল) সম্পর্ককে ব্যবহার করে মৌখিক বিজ্ঞাপনজনিত প্রচারের মাধ্যমে পণ্য বিপণন করা এবং এ ধরনের বিপণনে উদ্বুধ্ধকরনের মাধ্যমে পণ্য উৎপাদনকারী বা উৎস থেকে ভোক্তার কাছে সরাসরি ক্রয়/বিক্রয় সম্পন্ন করা। বাড়তি খরচ পরিহার করে তার একটা বিশাল অংশ ক্রয়/বিক্রয়কারী ভোক্তাশ্রেণীকে একত্রে প্রচারকার্মে অংশগ্রহণ করার জন্য "কমিশন" হিসেবে প্রদান করাই হচ্ছে এ বিপণন পদ্ধতির মূল দর্শন। কারণ এই মৌখিক প্রচার পদ্ধতি ব্যবহারের কারণে পণ্য বিপণন প্রক্রিয়ায় গতানুগতিক মধ্যসত্ত্বভোগীর প্রয়োজন হয় না, ফলে বিপণনে বাড়তি খরচের বিষয়টির বিলুপ্তি ঘটে। এই পদ্ধতিতে পণ্য বা সেবা বিপণনে সাধারণতঃ কোন ব্যয়বহুল শো-রুম খরচ ও বিজ্ঞাপন খরচের প্রয়োজন হয় না। তাই উৎপাদনকারীগণ কিংবা সরবরাহকারীগণ সবাই অধিক পরিমাণ পণ্য খুব সহজে এবং কম খরচে ভোক্তাদের কাছে সরাসরি বাজারজাত করতে সক্ষম হন। এ কারণে এ বিপণন পদ্ধতিটি গতানুগতিক বিপণন প্রক্রিয়ায় ব্যবসা সম্প্রসারণের তুলনায় সংস্কার-সমৃদ্ধ একটি আধুনিক প্রক্রিয়া মাত্র।

পরবর্তী পার্টে ডাইরেক্ট মার্কেটিং বা নেটওয়ার্ক মার্কেটিং বা এম.এল.এম পদ্ধতির সূচনা নিয়ে আলোচনা করা হবে।


Tuesday, 30 July 2013

জানার কোনো বয়স নেই

আমাদের দেশে এখন ভিক্ষুক আর ব্লগার এর সংখ্যা প্রায় সমান .......
keyboard দিয়ে দুই চারটা ওয়ার্ড লিখতে পারলেই ব্লগার হওয়া যায়না . 
ইদানীং আমি দেখছি ... কিছু লোক কিছু কিছু বিষয়ে না জেনেই উল্টা পাল্টা পোস্ট করে যাচ্ছে .... তারমধ্যে network marketing এর অন্যতম ...
আরে ভাই নেটওয়ার্ক মার্কেটিং একটা বিশ্বজুরে স্বীকৃত একটি পদ্ধতি , এবং এই সাবজেক্ট এর ওপর অনার্স মাস্টার্স কোর্স আছে ... আপনাদের মনে সন্দেহ থাকলে খুজ খবর নিয়ে দেখতে পারেন ..
আমার কথা হলো যে বিষয়ে ওপর অনার্স মাস্টার্সে পড়াশুনা আছে সেই বিষয়ে আপনারা কেন আজে বাজে পোস্ট লিখেন ??
আপনার যদি ভালো না লাগে এই সিস্টেম আপনি কাজ করার দরকার নাই ....
ডাক্তার সবাই হয় না... 
না হয় সবাই ইঞ্জিনিয়ার ....
যার যার বেক্তিগত বেপার ....
why you talk about another person ??

আমি একটা example দেই  ...
আমরা উকিল পেশাজীবীদের ভালো করে সবাই চিনি তাই না ....
আচ্ছা একজন raper কিংবা killer যদি কোনো উকিল এর নিকট যায় তার বা আসামির পক্ষে উকালতি করার জন্য ...  উকিল কি তার মক্কেলকে  ফিরিয়ে দেয় ?
কখনোই না ... ওই উকিল সে যতো রকমের চেষ্টা আছে সব করে সে তার মক্কেলকে নির্দোষ প্রমান করে আসামিকে বের করে আনে .... প্রকাস্য দিবালোকে .... কই আমিতো আজ পর্যন্ত কোনো উকিল এর বিরদ্ধে কথা বলতে দেখি নাই কাওকে ? 
আরে ভাই network marketing করে বেকার কিছু পোলাপাইন আপনারা কেনো তাদের পেটে লাথি দেন ?
তারাতো মানুষের কাছে মাত্র ৫-৭ হাজার টাকার পণ্য বিক্রয় করছে .... তারাতো একটা পদ্মা সেতুর টাকা হাতিয়ে নেয় না ...
না করে আদম পাচার ....
১০-১৫ লক্ষ টাকা দিয়ে ইতালি আমেরিকা নিয়ে যাবার কথা বলে না ......
সবাইকে আমার অনুরুধ  কোনো বিষয়ের উপর না জেনে মন্ত্বব্য করবেন না ....
কারণ জানার কোনো বয়স নেই  .
ধন্যবাদ  
Kazi ashraful Islam 
International networker

Monday, 29 July 2013

এখনই Enloving প্রোডাক্ট সেল/ব্যবসা করা সম্ভব!



Enloving এর অনেক ডিস্ট্রিবিউটর আছেন যারা মনে করেন বর্তমান সময়ে Enloving ব্যবসা করা সম্ভব নয়! বা Enloving  প্রোডাক্ট নিয়ে মানুষকে বললে কাজ হবে না, কারন মিডিয়ায় নেতিবাচক প্রচার-প্রচারনার কারনে বাংলাদেশের সাধারন মানুষ Network marketing সম্পর্কে নেগেটিভ হয়ে আছে। আমি এর সাথে দ্বীমত পোষণ করি। হে এটা সত্য আবেগ দিয়ে বললে হয়তো আপনি আমার কথা বিশ্বাস করবেন না। তাই চলুন দেখি লজিক্যালি সম্ভব কি না।

আগে চলূন আমরা একে একে চারটি উদাহরন দেখি এবং বুঝার চেষ্টা করি,

প্রথমতঃ ধরুন আপনাকে একটি কচুর লতি এবং একটি ব্লেড দেয়া হলো এবং বলা হলো কচুর লতিটি কেটে দুই টুকরা করে দিতে। তাহলে আপনি কি এটা কেটে দুই টুকরা করতে পারবেন? নিশ্চই পারবেন। কারন কচুর লতি কাটার জন্য ব্লেডই যথেষ্ঠ।
সিদ্ধান্ত/ফলাফলঃ কচুর লতি কাটার জন্য একটি ব্লেডই যথেষ্ঠ।

দ্বীতিয়তঃ এবার আসুন আপনাকে একটি বাশের কঞ্চি এবং একটি ব্লেড দেয়া হল। এবার কি আপনি সহজে কেটে দুই টুকরা করে দিতে পারবেন। নিশ্চই না! তবে বাশের কঞ্চি কাটার কোন উপায় কি আপনার জানা আছে? নিশ্চই আছে। আপনি হয়তো বলবেন আমাকে একটা দা/চাপাতি দেন এক কোপে কেটে দুই টুকরা করে দেব। তাই নয় কি?
সিদ্ধান্ত/ফলাফলঃ বাশের কঞ্চি ব্লেড দিয়ে কাটা কস্টসাধ্য কিন্তু দা/চাপিাতি দিয়ে সহজেই কাটা যায়।

তৃতীয়তঃ এবার আসুন আপনাকে একটি লোহার টুকরা বা রড এবং নরমাল ব্লেড/দা দেয়া হলো। আপনি কি এটা দুই টুকরা করতে পারবেন? নিশ্চই না। তবে যদি একটি হেসকো ব্লেড (লোহা কাটার যন্ত্র) দেয়া হয় তাহলে কি পারবেন? নিশ্চই পারবেন। তাই নয় কি?
সিদ্ধান্ত/ফলাফলঃ লোহার টুকরা/রড ব্লেড/দা/চাপাতি দিয়ে কাটা কস্টসাধ্য কিন্তু হেসকো ব্লেড দিয়ে সহজেই কাটা যায়।

চতুর্থতঃ আবার আসুন আপনাকে একটি শক্ত কাচ এবং হেসকো ব্লেড/দা/চাপাতি দেয়া হলো। এবার কাচ কেটে দুই টুকরা করে দিতে পারবেন কি? নিশ্চই না! তবে আপনাকে একটি ধারালো হীরক খন্ড দিয়ে বলা হলে আপনি অবশ্য কাচটি কেটে সহজেই দুই টুকরা করে দিতে পারবেন। তাই নয় কি?
সিদ্ধান্ত/ফলাফলঃ শক্ত কাচ ব্লেড/দা/চাপাতি/হেসকো ব্লেড দিয়ে কাটা কস্টসাধ্য কিন্তু ধারালো হীরক খন্ড দিয়ে সহজেই কাটা যায়।

উপরোক্ত চারটি উদাহরন এবং তা থেকে প্রাপ্ত সিদ্ধান্ত বা ফলাফলসমূহ বিবেচনা করলে আমরা দেখতে পাই যে, কোন বস্তু নরম বা শক্ত যেমনই হোক না কেন কাটা যায়। তবে তা করার জন্য যথোপযুক্ত কাটার লাগে। তাই নয় কি?

এখন আসুন আমরা মূল আলোচনায় আসি, নেটওয়ার্ক মার্কেটিং ব্যবসা একজন মার্কেটিং এক্সিকিউটিভ এর ব্যবসা করার তীব্র ইচ্ছা এবং সেলিং দক্ষতার উপর নির্ভর করে।

তার অর্থ এই নয় যে, আমি বলতে চাচ্ছি আপনি ব্যবসা বুঝেন না বা আপনার সেলিং দক্ষতা নাই। আমি বলতে চাচ্ছি আপনি অবশ্যই দক্ষ তবে হয়তোবা আপনার দক্ষতা উদাহরন ১ এর ব্লেড এর মত। এই দক্ষতা দিয়ে আপনি আগে ১০ জন অতিথির সাথে বসলে হয়তোবা ৫ জন প্রোডাক্ট ক্রয় করতো। কারন তখনকার পারিপার্শ্বিক অবস্থার বিপরীতে আপনার অতিথিরা কচুর লতির মত নরম ছিল। কিন্তু বর্তমান প্রেক্ষাপটে আপনার ঐ সকল অতিথিরা হয়তো লোহার মত বা কাচের মত শক্ত হয়ে আছে। তাই আপনার আগের দক্ষতা দিয়ে বিক্রি করার চেস্টা করছেন বিধায় বিক্রি হচ্ছে না।

এমতাবস্থায় আমার মূল বক্তব্য হচ্ছে আপনি আপনার দক্ষতাকে সময়োপযোগী করে গড়ে তুলূন। সফলতা অবশ্যই আসবে, ইনশা-আল্লাহ্।

কিভাবে দক্ষতা সময়োপযোগী করে গড়ে তুলবেন?

দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য আমার কাছে তিন টি উপায় জানা আছেঃ

১। প্রশিক্ষন গ্রহন করুন
২। প্রশিক্ষন গ্রহন করুন
৩। প্রশিক্ষন গ্রহন করুন

আমার এই সাইটটি আপনাকে সহযোগীতা করবে। কিন্তু পাশাপাশি বিভিন্ন গ্রুপের মাধ্যমে আয়োজিত প্রশিক্ষন গুলোতে অংশগ্রহন করুন। এছাড়াও সফল/অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের সাথে বসে পরামর্শ গ্রহন করুন। কিভাবে প্রশিক্ষন গ্রহন করলে দ্রুত দক্ষতা বৃদ্ধি করা যায় এর উপর লেখা অল্প সময়ে প্রশিক্ষন আত্মস্থ করা এবং মনে রাখার কৌশল সমূহ শীর্ষক প্রশিক্ষন টিপস্ টির সহায়তা নিতে পারেন।

আশা করছি খুবই অল্প সময়ের মধ্যে সঠিক প্রশিক্ষন গ্রহন করে নিজের সেলিং দক্ষতা এমন উচ্চতায় নিয়ে যাবেন যে, আপনাকে যে প্রোডাক্টই দেয়া হোক না কেন আপনি সেল করতে পারবেন এবং নিয়মিত আয় নিশ্চিত করতে পারবেন।

ধন্যবাদ

Kazi ashraful Islam 
Founder distributor :
Enloving international ltd

Sunday, 28 July 2013

কেন প্রশিক্ষন গ্রহন করবেন?


যে কোন বিষয়ে কাজ শুরু করার পূর্বে সে বিষয়টি সম্পর্কে জেনে নেয়া প্রয়োজন। যদিও বাংলাদেশে ডাইরেক্ট সেলিং বা নেটওয়ার্ক মার্কেটিং ব্যবসা প্রায় বিগত ১ যুগেরও বেশি সময় যাবৎ পরিচালিত হয়ে আসছে তার পরেও এই ব্যবসাটি সম্পর্কে জানার সুযোগ তুলনামূলক ভাবে খুবই কম। যার ফলে এই বিষয়টি নিয়েব্যপক সম্ভাবনা থাকার পরেও বিষয়টি নিয়ে অনেক বিভ্রান্তি এবং ভূল ধারনা লক্ষ্য করা যায়। তাই বিষয়টি সম্পর্কে প্রকৃত সত্য তথ্য, ইতিহাস এবং ডাইরেক্ট সেলিং ব্যবসার ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা জানার জন্য প্রশিক্ষনের কোন বিকল্প নেই।

আর যারা নেটওয়ার্ক মার্কেটিং ব্যবসায় ক্যারিয়ার তৈরি করতে চান অথবা এই ব্যবসাটি কে পার্টটাইম হিসেব করতে চান

তাদের জন্য নেটওয়ার্ক মার্কেটিং এর উপর প্রশিক্ষন গ্রহন করা বাধ্যতামূলক।

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে ১৮-২০ বছর পড়াশোনা করার পর আমরা কোন একটি নির্দিষ্ট বিষেয়ের উপর কাজ করার মতো জ্ঞান বা প্রাথমিক যোগ্যতা অর্জন করে থাকি। দুঃখজনক ব্যপার হচ্ছে এত সময়, শ্রম এবং অধ্যাবস্যায় প্রয়োগ করার পরেও অধিকাংশ ব্যক্তিকে শিক্ষিত বেকার হিসেবে পরিগনিত হতে হয়। আর যারা অনেকটা ভাগ্যগুনে বা মামা চাচার সহযোগীতায় কাজ করার সুযোগ পায় তাদের মধ্যেও কাংখিত সফলতার হার অনেক কম পরিলক্ষিত হয়।

এমন পরিস্থিতির বিপরীতে যেহেতু আপনি নেটওয়ার্ক মার্কেটিং ব্যবসায় স্বাধীনভাবে ক্যারিয়ার তৈরি করার স্বপ্ন নিয়ে কাজ শুরু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তাই আমি আপনাকে সাধুবাদ জানাই এবং আপনার সিদ্ধান্ত খুবই সময়োপযোগী সঠিক সিদ্ধান্ত বলে স্বীকৃতি দিতে চাই। কিন্তু একটু লক্ষ্য কলে দেখুন আপনার ১৮-২০ বছর পড়ালেখা করে নিজেকে তৈরি করার মোট সময়ের মধ্যে কতটুকু সময় আপনি নেটওয়ার্ক মার্কেটিং ব্যবসার জন্য বিনিয়োগ করেছেন।  আমি জানি উত্তর হবে ১ ঘন্টাও না! এখন প্রশ্ন হচ্ছে তাহলে আপনি সফলতা অর্জন করবেন কিভাবে?

নেটওয়ার্ক মার্কেটিং নিয়ে সুদীর্ঘ অর্ধ  যুগেরও বেশি সময় কাজ করার অভিজ্ঞতার আলোকে বলতে পারি, এখানে অনেক উচ্চ শিক্ষিত ব্যক্তি আছে যে সফল হতে পারেনি আবার অনেক অশিক্ষিত বা কম শিক্ষিত ব্যক্তিকে দেখেছি সফলতা পেতে। এই দুই শ্রেনীর ব্যক্তির মধ্যে সফলতা বা ব্যর্থতার মূল কারন হচ্ছে প্রশিক্ষন নেয়ার আগ্রহ থাকা এবং না থাকা। মনে রাখবেন যখন আপনি নেটওয়ার্ক মার্কেটিং ব্যবসা শুরু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তখন এই ব্যবসা সম্পর্কে আপনার জ্ঞান বা অভিজ্ঞতা শুন্য যদিও আপনার ব্যাকগ্রাউন্ড হতে পারে আপনি উচ্চ শিক্ষিত বা অশিক্ষিত। এটা সত্য যারা শিক্ষিত তারা হয়তো অন্যদের তুলনায় নেটওয়ার্ক মার্কেটিং ব্যবসার খুটি নাটি দ্রুত জানতে, উপলব্ধি করতে এবং আয়ত্ব করতে সক্ষম হবেন।

অনেক শিক্ষিত ব্যক্তিকে এও বলতে শুনেছি যে, আমি বিবিএ এমবিএ করা আমাকে আপনারা কি প্রশিক্ষন দিবেন? আমি সব জানি? আপনার প্রতি আমার প্রশ্ন হচ্ছে আপনার শিক্ষাজীবনে কয়টা সা্ব্জেক্ট বা কত ক্রেডিট ছিল নেটওয়ার্ক মার্কেটিং এর উপর। জানি সরল উত্তর হবে একটিও না। তাহলে আমার পরামর্শ হচ্ছে দয়া করে প্রশিক্ষন গ্রহন করুন। আপনার জন্য সুসংবাদ হচ্ছে আপনি ব্যবসাটি দ্রুত আয়ত্ব করতে পারবেন। কিন্তু প্রশিক্ষন অবশ্যই নিতে হবে।

এই উদাহরনটি একটু লক্ষ্য করুনঃ

ধরুন আপনি জানেন কিভাবে আলূ চাষ করতে হয়। এই বিষয় এর উপর আপনি হয়তোবা উচ্চ প্রশিক্ষন নিয়েছেন কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। এখন আপনাকে যদি দেয়া হয় একটি মাটির কলসি তৈরি করে দিতে। এমতাবস্থায় আপনার সারা জীবনের শিক্ষা, অভিজ্ঞতার আলোকে যতই চেষ্টা করেন আপনি কি কুমারের মত সুন্দর করে একটি কলসি তৈরি করতে পারবেন? নিশ্চই না! কিন্তু যদি আপনি একজন অশিক্ষিত (প্রচলিত শিক্ষা ব্যবস্থায়) কুমারের কাছ থেকে বিষয়টি একটু দেখেন এবং অনুশিলন করেন দেখবেন আপনি হয়তো ঐ কুমারের চেয়েও সুন্দর করে তৈরি করতে পারবেন।

তাইি আশা করি বুঝতে পেরেছেন যে, যেকোন বিষয়ে ভাল করতে চাইলে অবশ্যই ঐ বিষয়ে প্রশিক্ষন নিতে হবে। তাই নয় কি?

আমার অভিজ্ঞতায় অনেক ব্যক্তিকে বলতে শুনেছি আমি সব প্রশিক্ষন গ্রহন করে ফেলেছি! এখন কি করব?

আপনার জন্য পরামর্শ হচ্ছে প্রশিক্ষনগুলো আবার গ্রহন করুন। তার পর কি করবেন? আবার প্রশিক্ষন নিবেন। তার পর? আবার প্রশিক্ষন নিবেন।

এভাবে একই প্রশিক্ষন কতবার এবং কত দিন গ্রহন করতে হবে?

উত্তর দিতে চাইনা শুধু আপনাকে একটি প্রশ্ন করতে চাই, প্রতিদিনই তো তিন বেলা নিয়ম করে খাবার গ্রহন করছেন। একই খাবার আর কত দিন গ্রহন করতে থাকবেন? নিশ্চই যতদিন বেচে থাকবেন! তাই না? ঠিক তেমনি, যতদিন নেটওয়ার্ক মার্কেটিং ব্যবসা করবেন এবং ব্যবসায়ীক উন্নতি চাইবেন ঠিক ততদিন প্রশিক্ষন গ্রহন করতে হবে।

একই প্রশিক্ষন বার বার করতে ভাল লাগে না! বিরক্ত লাগে! করনীয় কি?

দেখুন আমরা যারা মানুষ তাদের অনেক সীমাবদ্ধতা আছে। অভাব আছে। যার ফলেই আমাদের কাজ করতে হয়। জীবিকার তাগিদে বেচে থাকার জন্য এমন অনেক কিছুই আমাদের প্রতিনিয়ত করতে হয় যা করতে আমাদের ভাল লাগেনা বা আমরা বিরক্ত হই। যেমন ধরুন প্রতিদিন সকাল বেলা নিয়ম করে একই টয়লেটে হাজিরা দিতে বা একই বাথরুমে গোসল করতে আমাদের ভাল লাগে না কিন্তু করতে হয়। প্রতি দিন বাজারের ব্যাগ নিয়ে বাজারে যেতে ভাল লাগে না কিন্তু যেতে হয়। স্কুল কলেজ বা চাকুরীতে নিয়ম করে যেতে হয় কিন্তু ভাল লাগে না। এমনও হতে পারে আমার এই লেখাটি পড়তে আপনার বিরক্ত লাগছে কিন্তু সফলতা পাবার জন্য করনীয় কি জানার জন্য বিরক্তি নিয়ে হলেও পড়ছেন! ঠিক তেমনি নেটওয়ার্ক মার্কেটিং ব্যবসায় সফলতা পেতে এবং সফলতার উচ্চ শিখরে নিজেকে দেখতে চাইলে নিয়মিত প্রশিক্ষন নিতে হবে।

যদি আমাকে জিজ্ঞেস করেন নেটওয়ার্ক মার্কেটিং ব্যবসায় সফলতার জন্য একটি কাজের পরামর্শ দিন। তাহলে বলব অবশ্যই নিয়মিত প্রশিক্ষন গ্রহন করুন। আপনার সফলতা নিশ্চিত, ইনশা-আল্লাহ্।


১০০ নেটওয়ার্ক মার্কেটিং টিপস-দ্বিতীয় অংশ


১০০ নেটওয়ার্ক মার্কেটিং টিপস – দ্বিতীয় অংশ

একজন সফল নেটওয়ার্কারের সাক্ষাৎকার

প্রশ্ন কেন আপনি নেটওয়ার্ক মার্কেটিং ব্যবসাকরছেন?

উত্তর এটি একটি স্বাধীন ব্যবসা যেখানে আর্থিক স্বচ্ছলতা লাভ করা যায়। কিছু সময় পরিশ্রম করে দ্রুত অবসর নেয়া যায় এবং মানুষের ভালবাসা অর্জন করা যায়-এজন্য।

প্রশ্ন নেটওয়ার্ক মার্কেটিং ব্যবসায় আপনারউদ্দেশ্য কি?

উত্তর আমার ডাইনলাইনের প্রত্যেক ডিস্ট্রিবিউটরকে সম্পদশালী করে তোলতে সাহায্য করা।

প্রশ্ন আপনি এখানে মূলত কি কাজ করেন?

উত্তর আমি এখানে তিনটি কাজ করি এক- সেল্স ভলিউম বাড়াতে পণ্য বিক্রয় করি, দুই- আমার টিমে মেম্বার সংখ্যা বাড়ানোর চেষ্টা করি, তিন- প্রত্যেককে আমার কাজগুলো নকল করতে পরামর্শ দেই।

প্রশ্ন ব্যবসারম্ভের শুরু থেকেই কি আপনি ফুলটাইম সময় দিচ্ছেন?

উত্তর ব্যবসারম্ভের প্রাক্কালে চাকুরীর পাশাপাশি এখানে পার্ট টাইম সময় দিয়েছি, এখানে এসে জেনেছি, শিখেছি এবং স্পন্সর করিয়েছি। এখন ফুলটাইমার কারন আর্থিক স্বচ্ছলতা লাভ করেছি পরিবারকে সময় দিতে পারছি এবং স্বাধীনভাবে ঘুরে বেড়াচ্ছি।

প্রশ্ন আপনার মতো কি আমার পক্ষে সম্ভবহবে?

উত্তর আমাকে ডুপ্লিকেট করুন হয়তো আমার চেয়ে বেশী সফল হবেন।

প্রশ্ন এখানে একসাথে এত লোক কাজ করেআপনার সমস্যা হয়না?

উত্তর না, কারন এখানে প্রত্যেক নিজের জন্য কাজ করে, প্রত্যেকে প্রত্যেককে সহযোগিতা করে এবং প্রত্যেকে এক প্রতিষ্ঠানে কাজ করে।

প্রশ্ন আপনার মতো প্রাথমিক পর্যায়ে কাউকেস্পন্সর করতে ব্যর্থ হলে কি করা উচিত?

উত্তর প্রাথমিক পর্যায়ে পণ্যসামগ্রী ক্রয় ও বিক্রয়ের মাধ্যমে কমিশন অর্জন করে ধৈর্য্য ধারন করা উচিত।

প্রশ্ন কোন্টি আপনার নিকট গুরুত্বপূর্ণ পণ্যবিক্রয় না কি স্পন্সরিং?

উত্তর দুটোই, তবে কমিশন প্লানের ধরন অনুযায়ী দীর্ঘমেয়াদে সফলতার জন্য স্পন্সরিং অধিক গুরুত্বর্পূন যেমন- বাইনারিতে।

প্রশ্ন আপনি কিভাবে টিম্ওয়ার্ক করবেন?

উত্তর আমার ডাউনলাইনের প্রত্যেক ডিস্ট্রিবিউটর আমার টিমের সদস্য

এ ক্ষেত্রে আমি যা করি তা হলো-

ক. প্রত্যেক সদস্যকে লক্ষ্য নির্ধারন করতে বলি ।

খ. সপ্তাহে বা মাসে লক্ষ্যার্জন করতে কতটুকু সমর্থ হলো তা লিপিবদ্ধ করতে পরামর্শ দেই।

গ এরপর প্রত্যেককে তার দলের  লক্ষ্য নির্ধারন করার পরামর্শ দেই।

ঘ. অতপর প্রত্যেককে এবং প্রত্যেক গ্রুপের কাজের মূল্যায়ন করি।

প্রতিটি গ্রুপ লক্ষ্য পূরন করতে কতটুকু সমর্থ হলো এবং লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থ হলে সমস্যা চিহ্নিত  করে তা সামাধানের পথে এগোই। এক্ষেেএ আমার আপলাইনারও আমার পরামর্শক।

প্রশ্নঃ নেটওর্য়াক মাকেটিং ব্যবসা হতে কতসময় পর্যন্ত আয় করা যায়?

উত্তর একমাএ নেট্ওয়ার্ক মাকেটিং ব্যবসায় দীর্ঘ সময় আয় করা সম্ভব  এমনকি মূত্যর পর নমিনী এ আয় ভোগ করাতে পারে ।

প্রশ্নঃ আপনার মতে নেট্ওর্য়াক মাকেটিং কিআত্নকর্মসংস্থানের উপায় ?

উত্তরঃ নেট্ওয়ার্ক মাকেটিং একটি বিনিয়োগবিহীন ব্যবসা । পেশা হিসেবে নেয়ার সুযোগ রয়েছে বিধায় এ পদ্ধতিকে আত্নকর্মসংস্থানের উপায় বলতে পারি।

প্রশ্নঃ নেট্ওর্য়াকমাকেটিং  আপনার স্লোগানকি?

উত্তরঃ সম্লিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে র্শীষে উত্তোরণ ।

প্রশ্নঃ আপনি কি নিজেকে সফল মনে করেন 

উত্তর যেদিন এ প্রতিষ্টানে জয়েন করি সেদিন হতে আমি সফল, এখন সফলতম হওয়ার চেষ্টা করছি।

প্রশ্নঃ আপনার অনুপ্রেরনা কি?

উত্তরঃ আমার সততা ।

প্রশ্নঃ একজন মানুষকে সুখী হতে হলে কি করাউচিত?

উত্তরঃ সুখের সন্ধান করা উচিত ।

প্রশ্নঃ আপনি শুরুতে  কেমন আর এখন কেমনআছেন?

উত্তর শুরুতে ছিলাম আত্মকেন্দ্রিক, আশাহত আর সুযোগ সন্ধানী এখন উন্মুক্ত, স্বপ্নে বিভোর আর অকৃত্রিম সহযোগী।

প্রশ্ন আপনার আপ-লাইন কি আপনাকেসার্বক্ষণিক সহযোগিতা করেন?

উত্তর আমার আপ-লাইন আরো অনেকেরই আপ-লাইন সেজন্য সার্বক্ষণিক তদারকি করতে পারেন না তবে যখনই আমার প্রয়োজন হয় তখনই আমাকে তারা সহযোগিতা করেন।

প্রশ্ন আপনি কিভাবে প্রমান করবেন আপনারকোম্পানী শতভাগ সঠিক?

উত্তর আমাদের কোম্পানী পণ্য বিপণন করে। যেহেতু অর্থের বিনিময়ে দৃশ্যমান পণ্য বিক্রয় করে এবং লভ্যাংশ ডিস্ট্রিবিউটরদের মাঝে বন্টন করে সুতরাং এটি শতভাগ বৈধ।

প্রশ্ন আপনার মতে পিরামিড স্কীম  নেটওর্য়াকমার্কেটিং  দুটোর তফাৎ কি?

উত্তর সংক্ষেপে বলা যায় প্রথমটিতে কাগজ বিনিময় হয় দ্বিতীয়টিতে পণ্য বিনিময় হয়।

প্রশ্ন বহিবিশ্বে এমএলএম এত জনপ্রিয় হলেওআমাদের দেশে মোট জনসংখ্যার পাঁচ ভাগমানুষ এখনো  ব্যবসায় আসেনি কেন?

উত্তর প্রথমে দেখা যাক কারা এম এল এম ব্যবসায় আসে না ঃ

ক) যারা নতুনত্ব বিশ্বাস করে না।

খ) যারা এত সহজ আয়কে অবিশ্বাস্য মনে করে।

গ) যারা পিরামিড স্কীম দ্বারা প্রতারিত।

ঘ) এবং যারা শুনে বিশ্বাস করে, দেখার প্রয়োজন মনে করেন না।

এবার দেখা যাক কারা এমএলএম ব্যবসায়আসে

ক) যারা ইতিবাচক মনোভাব সম্পন্ন।

খ) যারা নিজের অবস্থানকে আরো সুদৃঢ় করতে চায়, এবং যারা অন্যের সাফল্যে আনন্দ লাভ করে।

প্রশ্ন একজন চাকুরীজীবি  একজননেটওয়ার্কারের মধ্যে পার্থক্য কি?

উত্তর প্রথমজন আয় অনুযায়ী ব্যয় করেন ও দ্বিতীয়জন ব্যয় অনুযায়ী আয় করেন। প্রথমজন জীবনভর পরিচালিত হয় ও একজন নেটওর্য়াকার নিজেই পরিচালক।

প্রশ্ন আপনার সাফল্যের পেছনে কারণগুলোকি?

উত্তর আত্মবিশ্বাস, দৃঢ়তা, পরিকল্পনা ও সময় সচেতনতা।

প্রশ্ন নতুনদের প্রতি আপনার পরামর্শ কি?

উত্তর যা করবেন বুঝে করুন, যা করবেন আন্তরিকতার সহিত করুন, যা আশা করেন তা বাস্তবায়নের জন্য অন্তত একবার প্রাণপন চেষ্টা করুন।

Thank you 4 reading this :-)